The couple’s last dialog within the Purulia incident has come to gentle

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


পুরুলিয়ার মেসে প্রেমিকাকে খুনের ঠিক আগের মুহূর্তে কী কথা হয়েছিল যুগলের? প্রেমিক-প্রেমিকার কথোপকথনের চাঞ্চল্যকর বয়ান পুলিশের হাতে। ঘনিষ্ঠ মুহুর্তে প্রেমিকার বিশেষ বন্ধুর ফোন আসাতেই তাল কাটে অমিতকুমার মাহাতো ও প্রীতিকা মাহাতোর নতুন করে জোড়া বাঁধা সম্পর্কে। যার পরিণতি ভয়ংকর। তবে জেরায় ধৃতের দাবি, সে খুন করতে চায়নি।

শেষ কয়েকমুহূর্তে কী কথা হয়েছিল যুগলের? অমিতের দাবি, প্রেমিকার কাছে ‘নতুন বয়ফ্রেন্ডে’র ফোন আসতেই সে বলে, ‘তুমি তাহলে ওর সঙ্গেই থাকো’। পালটা প্রীতিকা বলেন, ‘না, আমাদের এতো দিনের সম্পর্ক…।’ এরপরই চিৎকার করে অমিত বলে, ‘না, এভাবে হতে পারে না।’ তাতেই ভেঙে পড়ে প্রীতিকা বলেন, ‘তাহলে আমাকে মেরে ফেলো’। ব্যস, এটাই শেষ কথা। এরপরই ডান হাত দিয়ে প্রীতিকার গলা চেপে ধরে অমিত। সামাল দিতে না পেরে মেসের মেঝেতেই পড়ে যান প্রীতিকা। পুলিশকে ধৃত অমিত জানিয়েছে, “আমি মারতে চাইনি স্যর। ওই অবস্থায় ওর নতুন বয়ফ্রেন্ডের ফোন আসাতেই আমার মাথায় খুন চেপে যায়। তারপর যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে।” পুলিশি জেরায় অমিত জানিয়েছে, তার প্রেমিকার গলার নলি কাটার পর মেসে থাকা একটা বস্তাতে মৃতদেহ ঢোকাতে গিয়েছিল। কিন্তু ওই বস্তা ছোট হয়ে যাওয়ায় মেসের নিজের রুম তালা বন্ধ করে বাইক নিয়ে শহর পুরুলিয়ার দুলমিতে একটি পেট্রোল পাম্পে ১৫০ টাকার জ্বালানি নেয়। তারপর ওই এলাকার একটি মুদি দোকান থেকে আটার বস্তা কিনে মেসে আসে। ওই বস্তায় মৃতদেহ পুরে দড়ি দিয়ে বাঁধে। যাতে বস্তা কোনওভাবেই খুলে না যায় তা নিশ্চিত হতে মোবাইলের চার্জারের তার দিয়েও বেঁধে দেয়। এরপর জল দিয়ে ওই মেসের রুম পরিস্কার করে। তারপর বাবাকে ফোন করে গোটা ঘটনা জানায়।

আরও পড়ুন:

শেষ কয়েকমুহূর্তে কী কথা হয়েছিল যুগলের? অমিতের দাবি, প্রেমিকার কাছে ‘নতুন বয়ফ্রেন্ডে’র ফোন আসতেই সে বলে, ‘তুমি তাহলে ওর সঙ্গেই থাকো’। পালটা প্রীতিকা বলেন, ‘না, আমাদের এতো দিনের সম্পর্ক…।’ এরপরই চিৎকার করে অমিত বলে, ‘না, এভাবে হতে পারে না।’ তাতেই ভেঙে পড়ে প্রীতিকা বলেন, ‘তাহলে আমাকে মেরে ফেলো’। ব্যস, এটাই শেষ কথা। এরপরই ডান হাত দিয়ে প্রীতিকার গলা চেপে ধরে অমিত। সামাল দিতে না পেরে মেসের মেঝেতেই পড়ে যান প্রীতিকা।

সোমবার, প্রীতিকা মাহাতোর বাড়িতে বাঘমুন্ডির বিধায়ক রহিদাস মাহাতো ও বিজেপির জেলা সভাপতি শংকর মাহাতো।

পুরুলিয়া শহরের উপকন্ঠে টামনা থানার রামকৃষ্ণপল্লীতে অমিতের ওই মেসের রুম সিল করে দিয়েছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার ফরেনসিক টিম আসার কথা সেখানে। এদিকে বলরামপুর থানার পুলিশ দেবেন মাহাতো গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের কাছে চিঠি দিয়ে জানতে চেয়েছে, খুনের আগে উভয়ের মধ্যে কোন শারীরিক সম্পর্ক হয়েছে কিনা? তবে এদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত নিহত প্রীতিকার ময়নাতদন্তের কোন রিপোর্ট আসেনি। এদিন প্রীতিকা মাহাতোর বাঘমুন্ডির বুড়দা গ্রামের বাড়িতে যান স্থানীয় বিধায়ক রহিদাস মাহাতো। সঙ্গে ছিলেন বিজেপির জেলা সভাপতি শঙ্কর মাহাতো ও পুরুলিয়া জেলা পরিষদের বিজেপি সদস্য রাকেশ মাহাতো। তারা ওই পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। ঘটনা প্রসঙ্গে পুরুলিয়ার পুলিশ সুপার কুমার শানি রাজ বলেন, “ধৃত নিজেই খুনের ঘটনার কথা স্বীকার করেছে। তদন্ত চলছে।” এদিকে এই হত্যাকাণ্ডে বাইকে চেপে থাকা অভিযুক্তকে চিহ্নিত করতে পেরে সম্মানিত হন বলরামপুরের ভিলেজ পুলিশ লক্ষ্মীকান্ত কুমার। এদিন তার হাতে সম্মাননা তুলে দেন পুরুলিয়ার পুলিশ সুপার কুমার শানি রাজ।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *