Tarique Rahman | ‘দেশ গড়ার পালা, ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে…’, বিএনপি-র জয়ের পর বার্তা তারেকের

Tarique Rahman | ‘দেশ গড়ার পালা, ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে…’, বিএনপি-র জয়ের পর বার্তা তারেকের

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের (Bangladesh Election) পর প্রথম সাংবাদিক বৈঠকে (Press convention) জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন হবু প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান (Tarique Rahman)। শনিবার ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজিত এই বৈঠকে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, বর্তমানে প্রতিহিংসা নয়, বরং দেশকে মানবিকভাবে পুনর্গঠন করাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য।

শুরুতেই দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘এবার দেশ গড়ার পালা। দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন দুর্বলতা।’ তারেক রহমান বলেন, ‘দুর্নীতি সরিয়ে এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি নিরাপদ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এই জয় গণতন্ত্রের জয়।’

সেই সঙ্গে তিনি কড়া ভাষায় বলেন, ‘যে কোনও মূল্যে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। কোনওরকমের অন্যায়, বেআইনি কর্মকাণ্ড বরদাস্ত করা হবে না।’ গণতান্ত্রিক কাঠামোয় সরকারি ও বিরোধী—উভয় পক্ষের দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি জানান, মতাদর্শ ভিন্ন হলেও দেশের স্বার্থে সকলকে এক হতে হবে। তাঁর মতে, বিভাজন নয়, জাতীয় ঐক্যই হবে নতুন বাংলাদেশের শক্তি।

প্রতিশ্রুতি ও আগামীর চ্যালেঞ্জ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য অন্তর্বর্তী সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানিয়ে তারেক রহমান প্রতিশ্রুতি দেন যে, ভোটের আগে দেওয়া প্রতিটি কথা রাখা হবে। তবে ‘ফ্যাসিবাদের’ রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি এবং আইনশৃঙ্খলার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে যাত্রা শুরু করতে হবে বলে তিনি দলীয় নেতা-কর্মীদের শান্ত থাকার ও বিজয়োৎসব পালনে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন।

এদিন জামায়াতে ইসলামি, এনসিপি, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ সহ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব দলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান তারেক রহমান। তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘দেশ গঠনে আপনাদের চিন্তাভাবনাও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের পথ এবং মত ভিন্ন থাকতে পারে কিন্তু দেশের স্বার্থে আমরা সবাই এক। আমি বিশ্বাস করি, জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন আমাদের দুর্বলতা।’

তারেক রহমানের সাংবাদিক বৈঠকে বাংলাদেশের বিদেশনীতি ও ভারত প্রসঙ্গ বিশেষ গুরুত্ব পায়। তিনি সাফ জানান, বাংলাদেশের বিদেশনীতি নির্ধারিত হবে সম্পূর্ণভাবে ‘বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশিদের স্বার্থের’ ওপর ভিত্তি করে। ২০২৪ সালের অগাস্টে পটপরিবর্তনের পর ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে (India-Bangladesh relation) যে টানাপড়েন তৈরি হয়েছিল, তা নিরসনের ইঙ্গিত মিলেছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইতিমধ্যেই তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং দুই নেতার মধ্যে ফোনে কথা হয়েছে। জানা গিয়েছে, শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে মোদিকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। যদিও নির্দিষ্ট কোনও দেশের নাম না নিয়ে তারেক বুঝিয়ে দিয়েছেন, জাতীয় স্বার্থই হবে তাঁর সরকারের অগ্রাধিকার।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *