Suvendu Adhikari Oath Ceremony | বাংলার মানুষের সামনে নতজানু প্রধানমন্ত্রী, এক প্রণামেই জিতলেন আপামর বাঙালির মন

Suvendu Adhikari Oath Ceremony | বাংলার মানুষের সামনে নতজানু প্রধানমন্ত্রী, এক প্রণামেই জিতলেন আপামর বাঙালির মন

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আজ থেকে পশ্চিমবঙ্গে শুরু হলো বিজেপি শাসন। শনিবার, পঁচিশে বৈশাখ রবীন্দ্রজয়ন্তীর পুণ্যলগ্নে কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত হলো রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান (Suvendu Adhikari Oath Ceremony)। আর এই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। কোনো দীর্ঘ রাজনৈতিক ভাষণ নয়, বরং বাংলার মানুষের সামনে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করে এক নজিরবিহীন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন তিনি।

সকাল ১০টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে হেলিকপ্টার ও হুডখোলা গাড়িতে চড়ে যখন তিনি ব্রিগেডের মঞ্চে পৌঁছান, তখন চারদিকে শুধুই ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি। মঞ্চে উঠে প্রথমেই তিনি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। এর পরেই ঘটে সেই অভূতপূর্ব ঘটনা। জনসমুদ্রের দিকে তাকিয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে হাঁটু মুড়ে বসেন এবং তারপর সরাসরি শুয়ে পড়ে সাষ্টাঙ্গ প্রণাম করেন বাংলার মাটিকে। নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সেই ভিডিও পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, ‘‘আমি পশ্চিমবঙ্গের জনশক্তির কাছে মাথা নত করছি।’’

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২৯৩টি আসনের মধ্যে ২০৭টি আসন জিতে বিজেপির এই জয় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নিজের মাটিতে এই প্রথমবার সরকার গড়ল বিজেপি। এই সাফল্যের মাহাত্ম্য বোঝাতেই সম্ভবত ফল ঘোষণার দিন ধুতি-পাঞ্জাবি পরে ভাষণ দিয়েছিলেন মোদি। আর আজ সশরীরে এসে বাংলার মানুষের মন জয় করে নিলেন এই বিনম্র আচরণের মাধ্যমে।

এদিন শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শা (Amit Shah) থেকে শুরু করে বিজেপিশাসিত বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সমাগম ঘটেছিল। উপস্থিত ছিলেন রাজনাথ সিংহ, জেপি নড্ডা, যোগী আদিত্যনাথ, হিমন্ত বিশ্বশর্মা, মানিক সাহা, চন্দ্রবাবু নাইডু ও চিরাগ পাসোয়ানের মতো হেভিওয়েট নেতারা। এ ছাড়াও ছিলেন মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী ও শমীক ভট্টাচার্যের মতো রাজ্যের শীর্ষ নেতৃত্ব।

রবীন্দ্রজয়ন্তীর সকালে একদিকে যেমন কবির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হলো, অন্যদিকে বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। প্রধানমন্ত্রীর এই সাষ্টাঙ্গ প্রণাম আগামীর বঙ্গ রাজনীতিতে এক চিরস্থায়ী মাইলফলক হয়ে থাকবে বলেই মনে করা হচ্ছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *