Suvendu Adhikari Cupboard assembly | নবান্নে আজ শুভেন্দুর মন্ত্রিসভার মেগা বৈঠক! নজরে সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ ও বেতন কমিশন

Suvendu Adhikari Cupboard assembly | নবান্নে আজ শুভেন্দুর মন্ত্রিসভার মেগা বৈঠক! নজরে সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ ও বেতন কমিশন

ভিডিও/VIDEO
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: রাজ্যে পালাবদলের পর আজ, সোমবার নবান্নে দ্বিতীয় বারের জন্য বৈঠকে বসছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন নবগঠিত মন্ত্রিসভা (Suvendu Adhikari Cupboard assembly)। আর এই বৈঠকের দিকেই চাতক পাখির মতো তাকিয়ে রয়েছেন রাজ্যের লক্ষ লক্ষ সরকারি কর্মচারী ও শিক্ষকরা। কারণ, আজকের এই হাইভোল্টেজ বৈঠকের অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয়— মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ (DA) এবং নতুন বেতন কমিশন।

পূর্বতন সরকারের আমলে ডিএ নিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মীদের সঙ্গে প্রশাসনের দীর্ঘ আইনি লড়াই চলেছে। জল গড়িয়েছে হাইকোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। গত ৫ ফেব্রুয়ারি দেশের সর্বোচ্চ আদালত ২০০৯-২০১৯ সালের বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ অবিলম্বে মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। বাকি ৭৫ শতাংশ বকেয়া কীভাবে মেটানো হবে, তা মার্চ মাসের মধ্যে জানানোর কথা থাকলেও তৎকালীন সরকার সময়সীমা বৃদ্ধির আবেদন জানায়। ভোটের মুখে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০২৬-এর মার্চ থেকে বকেয়া ডিএ দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেও, কর্মীদের একাংশের অভিযোগ— সেই টাকা এখনও তাঁদের অ্যাকাউন্টে বা পিএফ-এ পৌঁছায়নি। এই পরিস্থিতিতে নতুন বিজেপি সরকারের প্রথম Cupboard বৈঠকের পরই মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন যে, দ্বিতীয় বৈঠকের এজেন্ডায় ডিএ প্রসঙ্গ থাকছে।

ইতিমধ্যেই ‘বেঙ্গল টিচার্স অ্যান্ড এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন’-এর তরফে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে একটি ইমেল পাঠানো হয়েছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমানে এ রাজ্যের শিক্ষাকর্মীরা ১৮ শতাংশ হারে ডিএ পাচ্ছেন, যা কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের তুলনায় প্রায় ৪২ শতাংশ কম। তাই নবান্নের আজকের বৈঠক থেকে ডিএ অন্তত ১২ শতাংশ বৃদ্ধি করে তা ৩০ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার জোরালো আর্জি জানিয়েছেন তাঁরা।

কেন্দ্রীয় হারে ডিএ এবং বকেয়া টাকা পাওয়ার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালাচ্ছেন সরকারি কর্মীরা। ভোটের প্রচারেও বিজেপির অন্যতম প্রধান হাতিয়ার ছিল এই ডিএ ইস্যু। ফলে আজ সোমবারের এই ক্যাবিনেট বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রাজ্য সরকারি কর্মীদের মুখে হাসি ফোটানোর মতো কোনও বড় সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন কি না, এখন সেটাই দেখার।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *