জলপাইগুড়ি: রাজ্যের পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের সঙ্গে জলপাইগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায়ের (Saikat Chatterjee) বৈঠক এবং পরবর্তীতে তাঁর ভূয়সী প্রশংসা ঘিরে জলপাইগুড়ির রাজনৈতিক মহলে তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে। পুরসভার ট্রাফিক ব্যবস্থা, পার্কিং ও টোটো চলাচল নিয়ে দীর্ঘ প্রায় দেড় ঘণ্টা আলোচনার পর তৃণমূল নেতা সৈকত চট্টোপাধ্যায়ের এই মন্তব্য নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে কি না, তা নিয়ে চলছে জল্পনা।
জলপাইগুড়ি শহরের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন, বিশেষ করে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও পার্কিং সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের সঙ্গে বৈঠক করেন পুরপ্রধান সৈকত চট্টোপাধ্যায়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সৈকতবাবু সরাসরি মন্ত্রীর প্রশাসনিক দক্ষতার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “রাজনীতিতে অগ্নিমিত্রা পালের মতো ব্যক্তিত্বের প্রয়োজন রয়েছে। পুরসভা পরিচালনার বিষয়ে তাঁর যে গভীর জ্ঞান রয়েছে, তা বর্তমানে অত্যন্ত জরুরি।”
পুরমন্ত্রীর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাজেরও প্রশংসা করেন তৃণমূলের এই পুরপ্রধান। তিনি বলেন, “যে রাজ্যে শুভেন্দু অধিকারীর মতো একজন মুখ্যমন্ত্রী রয়েছেন, সেখানে উন্নয়ন যে সচল থাকবে, সেটাই স্বাভাবিক।”
বিরোধী দলের মন্ত্রীর এবং মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি তৃণমূল নেতার এই ইতিবাচক মনোভাব জলপাইগুড়ির রাজনৈতিক অন্দরে আলোচনার খোরাক জুগিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, সরকারি কাজের প্রয়োজনে বৈঠক হলেও এর আড়ালে অন্য কোনো রাজনৈতিক অভিসন্ধি থাকতে পারে। কেউ কেউ একে ‘সৌজন্যমূলক’ হিসেবে দেখলেও, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ এই মন্তব্যকে আগামী দিনের পরিবর্তিত রাজনৈতিক সমীকরণের পূর্বাভাস হিসেবেই দেখছেন। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক শোরগোল তৈরি হয়েছে।
