Suvendu Adhikari | শুভেন্দুর সভায় হাই কোর্টের সবুজ সংকেত! চাঁচল ও কোচবিহারে শর্তসাপেক্ষে সভার অনুমতি আদালতের

Suvendu Adhikari | শুভেন্দুর সভায় হাই কোর্টের সবুজ সংকেত! চাঁচল ও কোচবিহারে শর্তসাপেক্ষে সভার অনুমতি আদালতের

ভিডিও/VIDEO
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ আদালতে টিকল না প্রশাসনের আপত্তি। মালদা এবং কোচবিহারে জনসভার অনুমতি পেলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার শর্ত সাপেক্ষে এই দুই সভার অনুমতি প্রদান করেছেন কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta Excessive Courtroom) অবকাশকালীন বেঞ্চের বিচারপতি বিশ্বরূপ চৌধুরী। তবে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আদালতের পক্ষ থেকে বেশ কিছু কঠোর শর্ত আরোপ করা হয়েছে।

ছাব্বিশের বিধানসভাকে সামনে রেখে বছরের শুরু থেকেই জেলায় জেলায় বেশ কিছু রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। দক্ষিণ বঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও রয়েছে একাধিক কর্মসূচি। বছরের শুরুতেই মালদার চাঁচলে বিজেপির একটি মেগা সভার পরিকল্পনা রয়েছে। যেখানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু স্থানীয় এসডিপিও-র রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, নতুন বছর উদযাপনের সময় জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ করা পুলিশের পক্ষে কঠিন হবে। এদিন আদালতে মামলাকারীর আইনজীবী পুলিশের এই যুক্তির তীব্র বিরোধিতা করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত চাঁচলের সভার অনুমতি দিলেও শর্ত বেঁধে দিয়েছে। হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, ওই সভায় ৯ হাজারের বেশি সমর্থক থাকতে পারবেন না এবং সর্বোচ্চ ৭০টি মাইক্রোফোন ব্যবহার করা যাবে।

আগামী ২ জানুয়ারি কোচবিহারের ওল্ড পোস্ট অফিস পাড়া গ্রাউন্ডে বিজেপির আরও একটি সভা আয়োজনের কথা। সেখানে শুভেন্দু অধিকারীর পাশাপাশি মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তীরও উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। জেলা প্রশাসন এই সভার অনুমতি দিলেও পুলিশ অনুমতি দিচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল বিজেপি। রাজ্যের আইনজীবী যুক্তি দেন যে, পুলিশকে অত্যন্ত অল্প সময় আগে (গত রাত ৮.২৪ মিনিটে) আবেদন জানানো হয়েছিল। সব শোনার পর আদালত এই সভারও অনুমতি দেয়। তবে কোচবিহারের ক্ষেত্রে শর্ত আরও কঠোর— সেখানে সর্বোচ্চ ৩০০০ লোক থাকতে পারবেন। ব্যবহার করা যাবে ২০টি লাউডস্পিকার, ৮টি বক্স ও ৪টি মাইক্রোফোন।

বিচারপতি বিশ্বরূপ চৌধুরী স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন যে, এই সভাগুলি ঘিরে যেন কোনওভাবেই আইন-শৃঙ্খলার অবনতি না হয়। পুলিশকে পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে আদালতের বেঁধে দেওয়া শর্তগুলো যাতে অক্ষরে অক্ষরে পালিত হয়, সেদিকেও নজরদারি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতের এই রায়ের পর বিজেপির অন্দরে স্বস্তির হাওয়া, কারণ নতুন বছরের শুরুতেই উত্তরবঙ্গের দুই জেলায় রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের বাধা কেটে গেল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *