উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: গুজরাতের সুরাটে (Surat) এক নজিরবিহীন ঘটনায় চরম চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কাতারগাম (Katargam) এলাকার নাজির নগর এলাকায় ১০০টিরও বেশি বাড়ি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলেও, এর দায় নিতে অস্বীকার করছে কোনও সরকারি সংস্থা। কার নির্দেশে এই বিশাল উচ্ছেদ অভিযান চলল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে এক রহস্যময় ‘ভুতুড়ে’ বিতর্ক।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সুরাত মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (SMC) এবং পুলিশ কর্মীদের উপস্থিতিতেই বুলডোজার দিয়ে একের পর এক বাড়ি ভেঙে ফেলা হয়। অথচ, বিস্ময়কর বিষয় হল, পুরসভার পক্ষ থেকে সাফ জানানো হয়েছে যে, তারা কোনো উচ্ছেদ অভিযানের নির্দেশ দেয়নি এবং এই ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো যোগ নেই।
এই ঘটনার জেরে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে স্থানীয় মহলে। কাতারগামের বিধায়ক বিনু মোরাদিয়া দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে নড়েচড়ে বসেছে মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন। পুর কমিশনার এম নাগারাজান (M. Nagarajan) জানিয়েছেন, তাদের দল শুধুমাত্র জমির সীমানা নির্ধারণের (Land Demarcation) কাজে উপস্থিত ছিল। তিনি নাকি এও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, কোনো বেসরকারি সংস্থা হয়তো এই ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে থাকতে পারে।
পুর কমিশনারের এই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে—সরকারি আধিকারিক ও পুলিশ বাহিনীর উপস্থিতিতে কী করে ১০০টিরও বেশি বাড়ি ভেঙে ফেলা হল? এটি যদি কোনো বেসরকারি সংস্থার কাজ হয়, তবে কেন প্রশাসন নীরব দর্শক হয়েছিল? পুরো ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কীভাবে কার অনুমতিক্রমে এবং কোন উদ্দেশ্যে এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি ধ্বংস করা হল, সেই রহস্যের জট খুলতেই এখন তদন্তের দিকে তাকিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা।
