Supreme courtroom | ধর্মান্তরণ বিরোধী আইনের বৈধতার প্রশ্নে সুপ্রিম নোটিশ

Supreme courtroom | ধর্মান্তরণ বিরোধী আইনের বৈধতার প্রশ্নে সুপ্রিম নোটিশ

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ ধর্মান্তরণ-বিরোধী আইনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে একাধিক মামলায় মঙ্গলবার সমস্ত রাজ্য সরকারকে নোটিশ পাঠিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট(Supreme courtroom)। চার সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যগুলিকে এই বিষয়ে লিখিত জবাব দিতে হবে।
মামলাকারীদের দাবি, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, হিমাচলপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, ছত্তিশগড়, গুজরাট, হরিয়ানা, ঝাড়খণ্ড ও কর্ণাটকে চালু এই আইনগুলি ব্যবহার করে আন্তঃধর্মীয় দম্পতিদের হয়রানি করা হচ্ছে এবং ধর্মীয় স্বাধীনতায় বাধা তৈরি হচ্ছে।
শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি বিআর গাভাই ও বিচারপতি কে বিনোদ চন্দ্রের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, রাজ্যগুলির জবাব পাওয়ার পর আদালত বিবেচনা করবে এই আইনগুলির কার্যকারিতা স্থগিত করা হবে কি না। পরবর্তী শুনানি ছয় সপ্তাহ পরে হবে।
জমিয়ত উলেমা-এ-হিন্দ ও সিটিজেন্স ফর জাস্টিস অ্যান্ড পিস সহ একাধিক সংস্থা এই মামলা দায়ের করেছে। তাদের অভিযোগ, এই আইনকে ‘অস্ত্র’ হিসাবে ব্যবহার করে ভিন্ন ধর্মের মানুষকে ধর্মান্তরণের মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো হচ্ছে। এটা নাগরিকের ‘ধর্মীয় স্বাধীনতা’য় হস্তক্ষেপ ছাড়া কিছু নয়।
আদালত মামলাকারীদের পক্ষ থেকে আইনজীবী সৃষ্টি অগ্নিহোত্রীকে নোডাল আইনজীবী হিসাবে নিয়োগ করেছে। অন্যদিকে রাজ্যগুলির হয়ে সমন্বয় করবেন আইনজীবী রুচিরা গোয়েল। তাঁরা আদালত ও পক্ষগুলির মধ্যে নথি ও যুক্তি পেশের কাজে সমন্বয় করবেন।
ধর্মান্তরণ-বিরোধী আইন নিয়ে মামলা সুপ্রিম কোর্টে (Supreme courtroom) দীর্ঘদিন ঝুলে রয়েছে। ২০২০ সালের জানুয়ারিতেই তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ প্রথম নোটিশ জারি করেছিল। পরে জমিয়ত-উলেমা-এ-হিন্দ ছ’টি হাইকোর্টে চলা ২১টি পৃথক মামলা সুপ্রিম কোর্টে স্থানান্তরের আবেদন জানায়, যাতে শীর্ষ আদালত একযোগে এবং অভিন্ন রায় দিতে পারে।
ধর্মান্তরণের প্রশ্নটি রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত এবং সামাজিকভাবে স্পর্শকাতর বিষয়। বিজেপি শাসিত একাধিক রাজ্য সরকারের দাবি, দুর্বল শ্রেণির মানুষ, বিশেষত মহিলা ও আর্থিকভাবে পশ্চাৎপদ গোষ্ঠীর ব্যক্তিদের জোরজুলুম কিংবা প্রতারণা থেকে সুরক্ষার জন্য এই আইন দরকার। অন্যদিকে বিরোধীদের অভিযোগ, আন্তঃধর্মীয় বিয়েকে অপরাধ হিসাবে গণ্য করা এবং প্রমাণের দায় অভিযুক্তের কাঁধে চাপিয়ে দেওয়া সংবিধান বিরোধী। এর ফলে সংবিধান প্রদত্ত অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে এবং গোষ্ঠীভিত্তিক হিংসা ও স্বঘোষিত নজরদার গোষ্ঠীর কাজকর্মকে প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *