Cooch Behar | রাজার শহরে পুরোনো আস্তানায় পরিযায়ীরা, গাছ হারালেও চেনা টানে ফিরল শামুকখোল

Cooch Behar | রাজার শহরে পুরোনো আস্তানায় পরিযায়ীরা, গাছ হারালেও চেনা টানে ফিরল শামুকখোল

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


জয়দীপ রায়, কোচবিহার: কেটে ফেলা হয়েছে ওদের বাসস্থান। তবুও আস্তানা ভোলেনি ওরা। রাজ শহরের শোভা বাড়াতে কোচবিহারে (Cooch Behar) হাজির শামুকখোল। কোচবিহার বিমানবন্দরের রাস্তা ও বন দপ্তর চত্বরের গাছগুলিতে হাজির হয়েছে হাজার দেড়েক শামুকখোল পাখি। যা দেখতে কিছুক্ষণের জন্য হলেও থমকে যাচ্ছেন পথচারীরা।

প্রতি বছর বর্ষা পড়তেই কোচবিহার শহরে ঝাঁকে ঝাঁকে শামুকখোল  আসে। বেশ কিছু বড় গাছে তারা বাসা বাঁধে, ডিম পাড়ে এবং বাচ্চা বড় করে। প্রজনন ঋতু শেষ হলে তারা আবার চলে যায় অন্যত্র। এই সময়ে শহরের প্রকৃতিপ্রেমী ও পর্যটকদের কাছে এগুলি অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। তবে এদের সবচেয়ে পছন্দের জায়গা শহরতলি এলাকার গাছগুলি। কোচবিহার বিমানবন্দরের আশপাশে কয়েক বছর আগেও বেশ কিছু গাছ ছিল যেখানে শামুকখোলরা এসে বাসা বাঁধত। তবে সেখান থেকে কেটে ফেলা হয়েছে বেশ কিছু গাছ। বর্তমানে রয়েছে গুটিকয়েক গাছ। এবছর সেখানেই হাজির হয়েছে শামুকখোলের দল। সংখ্যায় তারা দেড় হাজারের কাছাকাছি হবে।

কোচবিহারের পরিবেশপ্রেমীদের দাবি, একটা সময় প্রচুর সংখ্যায় শামুকখোল কোচবিহার শহরে আসত। তবে বাসস্থানের সংখ্যা কমায়  এখন কিছু পাখি আসে শহরে।

পরিবেশপ্রেমী অরূপ গুহ বলেন, ‘একটা সময় কোচবিহার বিমানবন্দর এলাকা, বন দপ্তর চত্বর ও শহরের বড় বড় গাছে সব মিলিয়ে হাজার সাতেক পাখি আসত, বাসা বাঁধত। তবে আস্তে আস্তে এই এলাকাগুলি থেকে বেশ কিছু গাছ কেটে ফেলা হয়। বিমানবন্দরের সামনে অনেক গাছ যেগুলি এদের বাসস্থান ছিল সেগুলিও কেটে ফেলা হয়। ফলে পাখিগুলি তাঁদের বাসস্থান হারায়। এখন মেরেকেটে হাজার দেড়েক পাখি বাসা বাঁধে। এটা আমাদের অক্ষমতা যে আমরা এই অতিথি পাখিগুলির বাসস্থান নষ্ট করেছি। পাখিগুলির প্রতি সমাজের মানুষকে আরও যত্নশীল ও সচেতন হতে হবে।’

শহরের এক প্রবীণ মিহির বেরার কথায়, ‘ছোটবেলায় হাজার হাজার শামুকখোল আকাশ ছেয়ে উড়ে গিয়ে মগডালে বসত। তবে আস্তে আস্তে গাছ কেটে ফেলার প্রবণতা বাড়ায় পাখিগুলি তাদের বাসস্থান হারিয়েছে। তবুও গুটিকতক যেসব গাছ রয়েছে সেখানে পাখিগুলি এসেছে দেখে খুশি হলাম।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *