উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: উচ্ছে বা করলার তেতো স্বাদের কারণে অনেকেই তা এড়িয়ে চলেন। অথচ সুস্থ থাকতে পাতে তেতো রাখা অত্যন্ত জরুরি। যাঁরা উচ্ছে-করলা খেতে পছন্দ করেন না, তাঁরা বিকল্প হিসেবে রাখতে পারেন কাঁকরোল (Spiny Gourd)। উচ্ছে-করলার মতো তীব্র তেতো না হলেও পুষ্টির বিচারে কাঁকরোল কোনও অংশে কম নয়। ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর এই সব্জি বর্ষার মরশুমে নানা রোগবালাই থেকে শরীরকে সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে। কাঁকরোল খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন।
১. ডায়াবিটিসের রোগীরা নিশ্চিন্তে কাঁকরোল রাখতে পারেন পাতে। এতে থাকা হাইপোগ্লাইসেমিক যৌগ অগ্ন্যাশয়ের কোষ সুরক্ষিত রাখে এবং ইনসুলিন ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। প্রি-ডায়াবিটিস বা ডায়াবিটিস রোগীদের জন্য এটি অত্যন্ত উপকারী।
২. ত্বকের যত্নেও কাঁকরোলের জুড়ি মেলা ভার। এতে উপস্থিত বিটা-ক্যারোটিন, লুটেইন, জিজানথিনস এবং ভিটামিন সি কোষের ক্ষয় রোধ করে ত্বককে মসৃণ ও উজ্জ্বল রাখে। আয়ুর্বেদেও নানা ত্বকের সমস্যা দূর করতে এই সবজির ব্যবহার রয়েছে।
৩. ওজন কমাতেও এটি দারুণ সাহায্য করে। কাঁকরোলে ক্যালোরির পরিমাণ খুবই কম এবং ফাইবারের মাত্রা বেশি। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর হয়, হজমশক্তি বাড়ে এবং বিপাক হার উন্নত হয়। দীর্ঘক্ষণ পেট ভর্তি থাকায় অযথা খাওয়ার প্রবণতা কমে, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
৪. কাঁকরোলে থাকা ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল বা এলডিএল-এর মাত্রা কমায় এবং হৃদপিণ্ডে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে। এর ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকটাই হ্রাস পায়।
৫. ভিটামিন সি, আয়রন, ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ কাঁকরোল প্রাকৃতিক ইমিউনিটি বুস্টার হিসেবে কাজ করে। ঋতু পরিবর্তনের সময় সর্দি-কাশি বা ভাইরাল সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে এই সব্জি অত্যন্ত কার্যকরী।
৬. কাঁকরোলে থাকা ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল বা এলডিএল-এর মাত্রা কমায় এবং হৃদপিণ্ডে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে। এর ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকটাই হ্রাস পায়।

