উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সরব হয়ে দিল্লিতে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে আটক হয়েছেন দেশের শীর্ষ রাজনীতিক ও সমাজকর্মীরা। ধৃত সমস্ত নেতাদের যদি রবিবারের মধ্যে নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়া না হয়, তবে ফের অনশন এবং পদযাত্রার মতো চরম পথ বেছে নেওয়ার আল্টিমেটাম দিলেন পরিবেশ ও সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক (Sonam Wangchuk)।
শনিবার এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে ওয়াংচুক অভিযোগ করেন, বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ ভারত বর্তমানে এক “অঘোষিত জরুরি অবস্থার” (Undeclared Emergency) মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে দিল্লি পুলিশের হাতে আটক হন একাধিক বিশিষ্ট নেতা ও আন্দোলনকারী। আটক হওয়া হেভিওয়েটদের তালিকায় রয়েছেন:
- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো)
- অরবিন্দ কেজরিওয়াল (আম আদমি পার্টির প্রধান)
- অভিজিৎ দীপকে (ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা)
- এছাড়া একাধিক রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনের প্রথম সারির মুখ।
এই আন্দোলনে সমর্থন জানালেও শীতকালীন প্রস্তুতির ব্যস্ততার কারণে শারীরিকভাবে দিল্লিতে যোগ দিতে পারেননি সোনম ওয়াংচুক। হিমালয়ের উচ্চাঞ্চলে কৃত্রিম হিমবাহ (Synthetic Glaciers) তৈরি এবং হিমবাহের হ্রদ বিস্ফোরণজনিত বন্যা (GLOF) মোকাবিলার গবেষণা কাজে বর্তমানে ব্যস্ত রয়েছেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করা ভিডিওতে আফসোস প্রকাশ করে ওয়াংচুক বলেন: “গতকাল যখন আমি এই বিক্ষোভে ঐক্য ও শান্তির আবেদন জানিয়ে বার্তা পোস্ট করেছিলাম, তখন কল্পনাও করতে পারিনি যে, বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতন্ত্রে এমন অঘোষিত জরুরি অবস্থা জারি হয়ে যাবে। ভেবেছিলাম আন্দোলন পরিচালনা করার মতো অনেক যোগ্য নেতৃত্ব আছেন, কিন্তু এখন শুনছি সবাইকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যদি রবিবারের মধ্যে তাঁদের ছেড়ে না দেওয়া হয়, তবে আমি ‘অনশন’ (Anshan Quick) বা পদযাত্রা শুরু করতে বাধ্য হব।”

