উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: কোনও কারণে রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা (Sodium) অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক। মূলত দেহকোষের বাইরে থাকে সোডিয়াম। তাই শরীরে সোডিয়ামের ঘাটতি হলে কোষগুলি ফুলে যায়, তখনই হয় বিপত্তি।
কেন এমনটা হয়?
১. ডায়ারিয়া হলে শরীরে সোডিয়ামের মাত্রা কমে য়েতে পারে। কোনও কারণে দিনে একাধিকবার বমি হলেও শরীরে সোডিয়াম কমে যেতে পারে। এছাড়া উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ খেলেও শরীরে সোডয়ামের মাত্রা কমে যেতে পারে।
২. থাইরয়েডের সমস্যা, কর্টিসল হরমোনের সমস্যা বা শরীরে এডিএইচ হরমোন ওঠানামা করলেও সোডিয়ামের মাত্রা কমে যেতে পারে।
কোন লক্ষণগুলি দেখলে সতর্ক হতে হবে?
শরীরে সোডিয়াম কমার দু’ধরনের মাত্রা হল অ্যাকিউড আর ক্রনিক। অ্যাকিউটের ক্ষেত্রে দু’তিন দিনের মাথায় শরীরে সোডিয়ামের মাত্রা অনেকটা কমে যায়। আর ক্রনিকের ক্ষেত্রে প্রায় ছ’মাস ধরে রোগীর শরীরে সোডিয়ামের মাত্রা অল্পঅল্প করে কমতে থাকে।
অ্যাকিউটের ক্ষেত্রে চলাফেরার সময় মাথা ঘুরে যেতে পারে, শরীরে ক্লান্তি আসে। সোডিয়ামের মাত্রা অনেকটা কমে গেলে খিঁচুনিও হতে পারে। আর ক্রনিকের ক্ষেত্রে উপসর্গগুলি চট করে ধরা যায় না। শরীরে ক্লান্তি, মাথা ঝিমঝিম করা, রক্তচাপ খানিকটা কমে যাওয়ার মতো উপসর্গগুলি দেখা যায়।
