social schemes | উৎসবের মুখেই লক্ষ্মীলাভ! দীপাবলির আগেই অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা ও বার্ধক্য ভাতার টাকা

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: কালীপুজো ও দীপাবলির আগেই রাজ্যের বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। বুধবার রাতে নবান্নে এক বৈঠকে এই ঘোষণা করা হয়। উৎসবের মরশুমের কথা মাথায় রেখে নির্ধারিত সময়ের আগেই ৮৪ লক্ষ বার্ধক্য ও দিব্যাঙ্গ ভাতা, ৩ লক্ষ লোকপ্রসার শিল্পী ভাতা এবং ১ কোটি ৬৫ লক্ষ অন্নপূর্ণা যোজনার অর্থ ট্রান্সফার করার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। সাধারণত অন্নপূর্ণা যোজনার (annapurna yojana) ৩ হাজার টাকা মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে দেওয়া হলেও, এবারে ৮ তারিখ দীপাবলি থাকায় তার আগেই সেই টাকা উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছে যাবে।

পাশাপাশি, বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সংকল্পপত্রে উল্লেখিত ‘ভরসা প্রকল্প’ চালুর বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাব পেশ করে তা চূড়ান্ত করার পরই এই বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে। জানা গিয়েছে, গ্র্যাজুয়েট ও নন-গ্র্যাজুয়েট উভয়ের জন্যই এই স্কিম আনা হচ্ছে, যা অনেকটাই যুবসাথী প্রকল্পের আদলে তৈরি হতে পারে।

অন্যদিকে, আগামী ১৩ তারিখ রাজ্যের ৭ লক্ষ ২০ হাজার আবাস যোজনার প্রাপকের হাতে দ্বিতীয় কিস্তির প্রায় ৪২০০ কোটি টাকা তুলে দেওয়া হবে। পাশাপাশি, রাজ্যে (state authorities) এখনও পর্যন্ত ৪ কোটি ২০ লক্ষ মানুষকে আয়ুষ্মান ভারত (ayushman bharat) কার্ড দেওয়া হয়েছে এবং গত ৪ তারিখ পর্যন্ত ২ লক্ষ ২০ হাজার মানুষ এর মাধ্যমে চিকিৎসা পরিষেবা লাভ করেছেন। ভিনরাজ্যে অবস্থানরত ৬ হাজার বাসিন্দা এই প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন, যার জন্য কেন্দ্র ও রাজ্যের যথাক্রমে ৬০ ও ৪০ শতাংশ অনুপাতে রাজ্য সরকার ২৩ কোটি টাকা খরচ করেছে।

এদিকে, মুর্শিদাবাদে মুঘল সম্রাট বাবরের নামে কোনো মসজিদ নির্মাণ করা যাবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাবরকে লুটেরা হিসেবে উল্লেখ করে সাফ জানানো হয়েছে যে, জেলার বহু গুণী মানুষের নামে নামাঙ্কিত করা যেতে পারে, তবে বাবরের নাম থাকলে কোনো পরিকল্পনা বা অনুমতি অনুমোদন পাবে না। এই মর্মে জেলার ডিএম-কে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *