SIR BLO | ‘আর পারছি না’, চাকরি থেকে ইস্তফা বিএলও-র

SIR BLO | ‘আর পারছি না’, চাকরি থেকে ইস্তফা বিএলও-র

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


নয়াদিল্লি: ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) করতে গিয়ে অত্যধিক কায়িক ও মানসিক চাপে একের পর এক বুথ স্তরের আধিকারিকের অসুস্থতা, মৃত্যু ও আত্মহত্যার ঘটনার পরেও মুখে কুলুপ নির্বাচন কমিশনের। ‘ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে অত্যাচার চলছে’ বলে অভিযোগ করেছে বিরোধীরা। ইতিমধ্যে কাজের চাপে বিএলওদের মানসিক চাপে ভেঙে পড়া, কান্নাকাটির রিলস সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

এই আবহেই চাকরিতে ইস্তফা দিতে বাধ্য হলেন নয়ডার এক স্কুল শিক্ষিকা। বিএলও হিসাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত পিঙ্কি সিং নামে ওই শিক্ষিকা জানিয়েছেন, এসআইআরের বিপুল কাজের চাপ এবং মানসিক ধকল আর সহ্য হচ্ছে না তাঁর। কারণ, তাঁকে নিয়মিত স্কুলে পড়ানোর পাশাপাশি ভোটার তালিকা সংশোধনের মতো সময়সাপেক্ষ এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজও করতে হচ্ছিল। এই দ্বৈত দায়িত্বের চাপ তিনি আর নিতে পারছিলেন না।

ইস্তফাপত্রে পিঙ্কি পরিষ্কার লিখেছেন, অতিরিক্ত কাজের বোঝা তাঁর পক্ষে আর বহন করা সম্ভব নয়। কাজের চাপে ভুল হওয়ার আশঙ্কা এবং তার ফলে ভবিষ্যতে আইনি ঝামেলায় জড়িয়ে পড়ার ভয়ও তাঁকে তাড়িত করছিল। শিক্ষিকার কথায়, ‘আমি কাজ করতে প্রস্তুত, কিন্তু শিক্ষকতার পাশাপাশি এই বিপুল এসআইআরের কাজ একসঙ্গে করা অসম্ভব। আমার পক্ষে আর এটা করা সম্ভব নয়।’

অন্যদিকে এই পরিস্থিতিতেও বিএলও-দের উদ্দেশে নানা টিকাটিপ্পনী ও দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্যের বিরাম নেই। ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে বিভ্রান্তি ও আতঙ্ককে উসকে দিয়ে জামতারার এক জনসভায় ঝাড়খণ্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইরফান আনসারি নিশানা করেন কমিশনের বুথ স্তরের আধিকারিকদের। তিনি বলেন, বিজেপি জনগণের একাংশকে ‘অনুপ্রবেশকারী’ দেগে দিয়ে তাঁদের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চাইছে। এরপরই তাঁর নাটকীয় সংলাপ, ‘কেউ (পড়ুন, বিএলও) আপনার নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিতে চাইলে তাকে ঘরে তালাবন্ধ করে রাখুন।’ রাজনৈতিক নেতাদের এহেন আক্রমণাত্মক বক্তব্য বিএলওদের কাজকে আরও কঠিন করে তুলেছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *