SIR | ‘ভয়ের কোনও কারণ নেই’, ১২ দিনেই এসআইআরের কাজ শেষ করে বার্তা বালুরঘাটের বিএলওর

SIR | ‘ভয়ের কোনও কারণ নেই’, ১২ দিনেই এসআইআরের কাজ শেষ করে বার্তা বালুরঘাটের বিএলওর

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: এসআইআরের কাজের চাপ নিয়ে সরব বিএলওদের একাংশ। কাজের চাপে কেউ কেউ আত্মহত্যাও করেছেন বলে অভিযোগ। কেউ বা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। বিএলও অধিকার রক্ষা মঞ্চের তরফে রীতিমতো নির্বাচন কমিশনের সিইওর দপ্তর অভিযানও করা হয়েছে। এরই মধ্যে নিঃশব্দে কাজ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন অনেকে। তেমনই একজন বালুরঘাটের নয়ন কুমার লাহা। তিনি সাহাপুর পরমানন্দ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহ শিক্ষক। মাত্র ১২ দিনের মধ্যেই SIR সম্পর্কিত যাবতীয় কাজ শেষ করে কার্যত নজির গড়েছেন বালুরঘাটের বিধানসভার অন্তর্গত হিলি ব্লকের ১৩৭ পার্টের শ্রীকৃষ্ণপল্লী পাঠাগারের বিএলও নয়ন কুমার লাহা। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO)-এর সমাজমাধ্যমের পেজ থেকে ওই বিএলও-র একটি সাক্ষাৎকার পোস্ট করা হয়েছে। সেই সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, দ্রুত গতিতে কাজ শেষ করার জন্য রাত জেগে কাজ করতে হয়েছে তাঁকে। বিশেষ করে ডিজিটাইজেশনের কাজটি মূলত রাতের দিকেই করতেন তিনি। তিনি এও জানান যে, তাঁদের হয়ত পরবর্তীতে রি ভেরিফিকেশনের কাজও করতে হতে পারে। তাই বাকি বিএলও-দের প্রতি তিনি বলেন, ভয়ের কোনও কারণ নেই, সময় ধরে কাজ করলেই নির্দিষ্ট সময়ে করা সম্ভব। এর পাশাপাশি তিনি ধন্যবাদ জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন এবং জেলা নির্বাচনী আধিকারিককেও।

শুধু নয়নবাবুই নন, ১৭ দিনে যাবতীয় কাজ শেষ করেছেন নদিয়ার হাঁসখালির বিএলও ওয়াহিদ আক্রম মণ্ডলও। ৮০৬টি ভোটারের SIR-এর ফর্ম ফিলআপ করিয়ে তা ডিজিটাইজ়েশনের কাজ শেষ করে ফেলেছেন তিনি। ওয়াহিদবাবুর এই সাফল্যের জন্য বিডিও অফিস থেকে তাঁকে সংবর্ধনাও দেওয়া হয়। হাসখালি ব্রসের বড়চুপড়িয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকতা করেন তিনি। ৪ তারিখ থেকেই ফর্ম বিলির কাজ শুরু করেন. ৯ তারিখের মধ্যে ফর্ম বিলি শেষ। এরই মধ্যে চলতে থাকে ফর্ম সংগ্রহের কাজ। সঙ্গে সঙ্গে অ্যাপে আপলোড করে গিয়েছেন। ২১ নভেম্বরের মধ্যেই কাজ শেষ করেছেন। চাপ থাকলেও সময়মতো কাজ এগিয়ে রাখলে সমস্যা হবে না বলেই মনে করেন ওয়াহিদ। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর ১,৫৩,৫৪১ জন বিএলও কাজ করছেন মাঠে। গত ২০ দিনে তাঁদের কাজ—ফর্ম বিলি, সংগ্রহ, যাচাই—অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে এগিয়েছে। এ পর্যন্ত ৪.৫৫ লক্ষ ফর্ম ডিজিটাইজ করা হয়েছে, যা মোটের প্রায় ৫৯.৪ শতাংশ। আর নয়নবাবুদের মতো অনেকের অক্লান্ত পরিশ্রমেই এমনটা সম্ভব হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *