SIR | ‘বিএলও-রাই এসআইআরের হিরো’, চাপের অভিযোগের মাঝেই পরিসংখ্যান দিয়ে দেখিয়ে দিলেন মনোজ

SIR | ‘বিএলও-রাই এসআইআরের হিরো’, চাপের অভিযোগের মাঝেই পরিসংখ্যান দিয়ে দেখিয়ে দিলেন মনোজ

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: আসন্ন ৪ ডিসেম্বরের এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার শেষ তারিখকে সামনে রেখে রাজ্যজুড়ে পুরোদমে চলছে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফর্ম বিলি প্রায় সম্পূর্ণ হলেও, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফর্ম জমা দেওয়া ও তার ডিজিটাজেশন-এর কাজ শেষ করা নিয়ে এখনও বেশ কিছুটা পথ পেরোতে হবে প্রশাসনকে। তবে এই আবহেই বিএলও-দের ‘হিরো’ বলে আখ্যা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) মনোজ আগরওয়াল।

সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, ২৪ নভেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাজ্যের ৯৯.৭৫ শতাংশ (৭ কোটি ৬৪ লক্ষের বেশি) এনুমারেশন ফর্ম ভোটারদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, রাজ্যের মোট ভোটার সংখ্যা ৭,৬৬,৩৭,৫২৯-এর মধ্যে মাত্র ২ লক্ষের কাছাকাছি ফর্ম বিতরণ বাকি।

তবে, চ্যালেঞ্জটা রয়ে গেছে ফর্ম পূরণের পর তার ডিজিটাজেশন-এর কাজে। কমিশন জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ৫৯.৪ শতাংশ, অর্থাৎ ৪ কোটিরও বেশি ফর্ম ডিজিটাইজ করা সম্ভব হয়েছে। বাকি প্রায় ৪১ শতাংশ ফর্ম ডিজিটাইজ করার কাজ বাকি রয়েছে। হাতে আর মাত্র ১০ দিনের কম সময়। সিইও ভোটারদের দ্রুত ফর্ম জমা দেওয়ার অনুরোধ করেছেন।

‘এসআইআর’ (Particular Abstract Revision)-এর কাজে রাজ্যের পাঁচটি জেলা বিশেষ গতি দেখিয়েছে। ডিজিটাইজেশন এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজের ভিত্তিতে যে জেলাগুলি এগিয়ে রয়েছে সেগুলি হল, পূর্ব বর্ধমান (৬৬.৪৭ শতাংশ), আলিপুরদুয়ার (৬৬.৪১ শতাংশ), মালদহ (৬৬.২৩ শতাংশ), পূর্ব মেদিনীপুর (৬৫.২৭ শতাংশ), উত্তর দিনাজপুর (৬৫.৪৩ শতাংশ)। এরই মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে উত্তর ২৪ পরগনার গোসাবা-য় ১২১ জন বিএলও ইতিমধ্যেই ১০০ শতাংশ কাজ সেরে ফেলেছেন।

মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল এই পুরো প্রক্রিয়ার ‘হিরো’ হিসাবে বিএলও-দের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘বিএলও-রা প্রচুর কাজ করছেন। তাঁরাই এসআইআরের হিরো।’’ আগরওয়াল আরও জানান, পশ্চিমবঙ্গই দেশের একমাত্র রাজ্য যেখানে এখনও পর্যন্ত কোনও বিএলও-র বিরুদ্ধে কাজের ত্রুটির জন্য কোনও শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ভুল হলে সতর্ক করা হয়েছে, কিন্তু শাস্তি দেওয়া হয়নি। তবে, ইচ্ছাকৃত ভাবে কেউ কোনও ভুল করলে শাস্তি দেওয়া হবে।

গত ৪ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই প্রক্রিয়া ৪ ডিসেম্বর শেষ হবে। হাতে সময় কম হলেও, শুধু ফর্ম ডিজিটাইজেশন নয়, রাজ্যের মোট ভোটারের ২.৫ শতাংশ ম্যাপিং-এর কাজও বাকি রয়েছে। লক্ষ্যপূরণের জন্য যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *