উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরনিগমেও ডামাডোল শুরু হয়ে গেল। পুরনিগমের তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলরদের whatsapp গ্রুপে পরিষদীয় দলনেতার পথ ছাড়তে চান বলে জানিয়ে দিলেন ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকার।
আজ পুরনিগমে পরিষদীয় দলের বৈঠক ছিল। প্রতি বোর্ড মিটিং-এর আগেই একবার করে পরিশোধিত দলের বৈঠক হওয়ার রীতি রয়েছে। কিন্তু পরিষদীয় দলনেতার পদ থেকে রঞ্জন সরকার পদত্যাগ করতে চেয়ে এদিনের বৈঠক স্থগিত করে দেন। রঞ্জন সরকারের এই ইচ্ছে সম্পর্কে অবগত মেয়র গৌতম দেবও। গৌতম বাবু বলেন, ‘ওর এই প্রস্তাবের কথা জানতে পেরেছি। হয়তো মান-অভিমান কিছু হয়েছে, এ নিয়ে আমি ওর সঙ্গে কথা বলব।’
শিলিগুড়ি পুরনিগমের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা জেলা তৃণমূলের অন্যতম শীর্ষ নেতা রঞ্জন সরকারের পরিষদীয় দলনেতার পদ ছাড়তে চাওয়ার প্রস্তাব ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে। শিলিগুড়ি বিধানসভায় বিজেপি প্রার্থী শঙ্কর ঘোষের বিপুল জয় এবং সব ওয়ার্ডে বিজেপি প্রার্থী ভোটে এগিয়ে থাকায় এমনিতেই চাপের মুখে রয়েছেন জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। তার উপরে সম্প্রতি প্রাক্তন জেলা সভানেত্রী পাপিয়া ঘোষ সরাসরি মেয়র গৌতম দেবকে নিশানা করে তোপ দাগায় দলের অভ্যন্তরে ফাটলও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। অন্যতম মেয়র পারিষদ দিলীপ বর্মনকে নির্বাচনের পরই পদ থেকে অপসারণ করেছেন মেয়র গৌতম দেব। তার উপর রঞ্জন সরকারের এহেন পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে পুরনিগমের অন্দরে তৃণমূলের অবস্থা আরও জটিল করে তুলল। রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন পরিষদীয় দলনেতার পদ থেকে সরে যাওয়ার পর কি ডেপুটি মেয়রের পদও ছাড়তে চলেছেন রঞ্জন সরকার?
