Siliguri | প্রাণের প্রিয় গোল্ডি উধাও, থানায় মহিলা

Siliguri | প্রাণের প্রিয় গোল্ডি উধাও, থানায় মহিলা

শিক্ষা
Spread the love


শমিদীপ দত্ত, শিলিগুড়ি: শহরে গোল্ডি, রকিদের বাইক বা স্কুটিতে তুলে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা বাড়ছে (Siliguri)। পুলিশ সূত্রে খবর, প্রতিমাসেই কমিশনারেট এলাকায় তিন-চারটে অভিযোগ জমা পড়ছে। শুক্রবারও এমন একটি অভিযোগ ভক্তিনগর থানায় দায়ের করেছেন আশা থাপা। তিনি বলছিলেন, ‘বৃহস্পতিবার আমার গোল্ডি ‘চাইনিজ সু’ হারিয়ে যায়। খোঁজাখুঁজি করলে প্রতিবেশীরা বলেন, বাড়ির কাছে ওকে দেখা গিয়েছে। পরে, সিসিটিভি ফুটেজে দেখি, দুজন নিয়ে বাইকে পালাচ্ছে।’

প্রশ্ন উঠছে, কারা নিয়ে যাচ্ছে গোল্ডি, রকিদের?

প্রাণীপ্রেমী সংগঠনগুলোর সূত্রে খবর, ওই ব্রিডগুলোর দাম আঠারো থেকে কুড়ি হাজার টাকার বেশি হওয়ায় চুরি করে বাড়িতে পোষ মানানোর চেষ্টা হচ্ছে। কোনওসময় বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে। কথা হচ্ছিল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নির্বাক -অরণ্যক-এর সভাপতি দেবর্ষিপ্রসাদ বিশ্বাসের সঙ্গে। তিনি বলছিলেন, ‘বাড়িতে পোষার জন্য যারা নিয়ে যাচ্ছে তাদের মধ্যে অনেকে আবার বাড়িতে পোষ মানাতে না পারায় বাড়ির সামনে রেখে দিয়ে চলে যাচ্ছে। কেউ ফেলে দিচ্ছে জঙ্গলে।’

তঁার বক্তব্যের সারবত্তা মেলে সম্প্রতি সুকনা জঙ্গল থেকে এক জার্মান শেফার্ড উদ্ধার হওয়ায়। অ্যানিমাল হেল্পলাইনের কর্ণধার প্রিয়া রুদ্র জানান, দেখা যাচ্ছে, নেশায় আসক্তরা কিছু টাকাপয়সার জন্য দোকানে গিয়ে নিজের সারমেয় বলে দিয়ে আসছে। ওই ব্যবসায়ী পরীক্ষা না করেই কম টাকায় অভিজাত ব্রিড পেয়ে নিেয় নিচ্ছেন। প্রিয়ার সংযোজন, ‘অনেকসময় দেখা যাচ্ছে পঁাচ-ছয় হাজার টাকায় অভিজাত সারমেয় দোকানে বিক্রি হচ্ছে। প্রশাসন তদন্ত করলে দেখা যাবে, এইগুলো সেই চুরি করা সারমেয়।’

সুমিত্র দাস সম্প্রতি এমনই অভিজ্ঞতার মুখে পড়েন। প্রধাননগরের ওই বাসিন্দার ছয় মাসের গোল্ডেন রিট্রিভার রয়েছে। তিনি বলছিলেন, ‘‘মাস তিনেক আগে আমার ‘মলি’ বাইরে বেরিয়েছিল। ফিরে না আসায় সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘মলি’-র ছবি দিয়ে পোস্ট করেছিলাম। কিছুদিন আগে দেবীডাঙ্গা থেকে একজন ফোন করে জানান, তঁার বাড়ির পাশের একটি দোকানে ‘মলি’-র মতো একটি সারমেয় দেখা গিয়েছে।  সেটা ‘মলি’- হওয়ায় দোকান মালিক দাবি করেন, এক নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি তার সারমেয় পরিচয় দিয়ে ‘মলি’-কে দিয়ে পঁাচ হাজার টাকা নিয়ে গিয়েছিল।’’

সম্প্রতি এমনই অভিজ্ঞতার শিকার হন অ্যানিমাল হেল্পলাইনের সঙ্গে যুক্ত প্রতিম দত্ত। তিনি বলেন, ‘আমার আমেরিকান বুলিকে ঘোরানোর নাম করে দুই তরুণ বাড়িতে এসেছিল। মা তাদের তাড়িয়ে দেন।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *