শিলিগুড়ি: কোচবিহারে এক চিকিৎসকের বাড়ি থেকে সোনা চুরির ঘটনার তদন্তে নেমে শিলিগুড়ির (Siliguri) আশিঘর এলাকা থেকে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করল কোচবিহার থানার পুলিশ। পুলিশের দাবি, চোরাই সোনা সংগ্রহ করে তা বিক্রির সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে সুমন মণ্ডল নামের ওই ব্যক্তিকে। সে আশিঘরের নরেশ মোড় এলাকার একটি জুয়েলারি দোকানের সঙ্গে যুক্ত। পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে যে, ধৃত সুমন মণ্ডল ওই দোকানের কর্ণধার মুক্তা মণ্ডলের ছেলে।
সম্প্রতি কোচবিহারে (Cooch Behar) এক চিকিৎসকের বাড়ি থেকে বেশ কিছু সোনার গয়না চুরি যায় (Stolen Gold)। ঘটনার পর চিকিৎসকের পক্ষ থেকে কোচবিহার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তে নেমে প্রথমে কোচবিহার থেকে দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং পরবর্তী তদন্তে, চোরাই সোনা কোথায় বিক্রি করা হয়েছে এবং কার কাছে পৌঁছেছে, সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায় বলে পুলিশের দাবি।
তদন্তের সূত্র ধরেই শিলিগুড়ির আশিঘর ফাঁড়ির নরেশ মোড় এলাকার একটি জুয়েলারি দোকানের নাম পুলিশের সামনে আসে। পুলিশের দাবি, ওই দোকানের সঙ্গে যুক্ত সুমন মণ্ডল চোরাই সোনা সংগ্রহ এবং তা বিক্রির কাজে জড়িত ছিলেন বলে তদন্তে তথ্য উঠে এসেছে।
এরপর সোমবার আশিঘর ফাঁড়ির পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে ওই এলাকায় অভিযান চালায় কোচবিহার থানার পুলিশ। অভিযানে সুমন মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়। চোরাই সোনা কেনাবেচার এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। গোটা চক্রের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত চালানো হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত সুমন মণ্ডলকে মঙ্গলবার কোচবিহার আদালতে পেশ করা হতে পারে। তদন্তের স্বার্থে এখনও পর্যন্ত উদ্ধার হওয়া সোনার পরিমাণ এবং তদন্তের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেনি পুলিশ।

