উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: কৃষ্ণনগরের সার্কিট হাউস খালি করা নিয়ে বড় অভিযোগ করেছেন তৃণমূল সাংসদ (TMC MP) মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তিনি। এবার এই ইস্যুতে মহুয়ার পাশে দাঁড়িয়ে কেন্দ্র ও রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করলেন কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর (Shashi Tharoor)।
শুক্রবার রাতে কৃষ্ণনগর সার্কিট হাউসে থাকাকালীন মহুয়া মৈত্রকে আচমকা ঘর খালি করার নির্দেশ দেয় জেলা প্রশাসন। মহুয়ার অভিযোগ, রাত পৌনে দশটা নাগাদ নদিয়ার অতিরিক্ত জেলা শাসক তাঁকে ফোন করে জানান, ‘উপরমহলের নির্দেশে’ তাঁকে সার্কিট হাউস ছাড়তে হবে। এর কিছুক্ষণ পর জেলা প্রশাসনের তরফে একটি নোটিশ পাঠানো হয়, যেখানে রক্ষণাবেক্ষণের কারণ দেখিয়ে ১৪ অগাস্ট সন্ধ্যা থেকে সার্কিট হাউসের নতুন বুকিং বন্ধের কথা বলা হয়।
মহুয়ার দাবি, বুকিং বা চেক-ইনের সময় তাঁকে এ বিষয়ে কিছুই জানানো হয়নি। তিনি রাতে বাইরে বেরোতে অস্বীকার করলে সার্কিট হাউসের বাইরে একটি গোষ্ঠী ভিড় জমায় এবং ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান তুলতে থাকে। এই ঘটনাকে নারী সাংসদদের জন্য চরম অপমানজনক আখ্যা দিয়ে স্পিকারের কাছে সুরক্ষা দাবি করেছেন মহুয়া। এমনকি তিনি আদালতে যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
এই ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়ে তিরুবনন্তপুরমের সাংসদ শশী থারুর লেখেন, ‘গণতন্ত্রে এমন মৌলিক বিষয়গুলি বুঝিয়ে বলতে হওয়া অত্যন্ত লজ্জাজনক। ভিড় যদি কাউকে নিশানা করে, তবে তাঁকে সুরক্ষা দেওয়া সরকারের দায়িত্ব; সরকারি আবাসন খালি করতে বাধ্য করা নয়।’ তিনি ‘স্ট্যান্ড উইথ মহুয়া’ হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে মহুয়ার পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

