Sensible watch | ডিজিটাল ঘড়িতেই বাড়ছে ডিজিটাল উদ্বেগ! হার্ট রেট আর স্টেপ কাউন্টারের চক্করে কি শান্তিতে বাধা?

Sensible watch | ডিজিটাল ঘড়িতেই বাড়ছে ডিজিটাল উদ্বেগ! হার্ট রেট আর স্টেপ কাউন্টারের চক্করে কি শান্তিতে বাধা?

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: বর্তমান যুগে কবজিতে স্মার্ট ওয়াচ থাকাটা কেবল স্টাইল স্টেটমেন্ট নয়, বরং স্বাস্থ্য সচেতনতার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। পা মেপে হাঁটা থেকে শুরু করে হৃদস্পন্দনের গতিবিধি—সবই এখন হাতের মুঠোয়। কিন্তু যে যন্ত্রটিকে আমরা সুস্থ থাকার চাবিকাঠি মনে করছি, সেটিই কি অচিরেই আমাদের বড় কোনো বিপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে? বিশ্বজুড়ে চিকিৎসকেরা এখন স্মার্ট ওয়াচের অতিরিক্ত ব্যবহার নিয়ে সাবধানবাণী শোনাচ্ছেন। তাঁদের মতে, এই খুদে গ্যাজেটটি মানুষের শরীরে ‘টক্সিক লোড’ বা বিষক্রিয়ার মাত্রা বাড়িয়ে তুলছে।

স্মার্ট ওয়াচ একটি ইলেকট্রনিক গ্যাজেট যা নিরন্তর রেডিওফ্রিকোয়েন্সি সিগন্যাল গ্রহণ ও প্রেরণ করে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য অনেকেই দিনরাত, এমনকি ঘুমানোর সময়ও এই ঘড়ি পরে থাকেন। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ২৪ ঘণ্টা ত্বকের সরাসরি সংস্পর্শে থাকায় এই সিগন্যাল দেহের টিস্যুতে প্রবেশ করে। দীর্ঘদিন একটানা এমন চলতে থাকলে ঘড়ি খুলে রাখার পরেও মানবশরীরে তার নেতিবাচক প্রভাব স্থায়ীভাবে থেকে যেতে পারে।

স্মার্ট ওয়াচের অধিকাংশ স্ট্র্যাপ তৈরি হয় বিশেষ ধরণের সিন্থেটিক রাবার বা ‘ফ্লুয়োরোলাস্টোমার’ দিয়ে। এর মধ্যে থাকে পিএফএএস (PFAS), যাকে বলা হয় ‘ফরেভার কেমিক্যাল’। ঘাম বা জল লাগলে এই ব্যান্ড থেকে ক্ষতিকারক কেমিক্যাল সরাসরি ত্বকের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে। চিকিৎসকদের মতে, দীর্ঘমেয়াদে এটি লিভার, কিডনির সমস্যা এমনকি হরমোনের ভারসাম্যও নষ্ট করতে পারে।

আশ্চর্যের বিষয় হলো, যে যন্ত্রটি উদ্বেগ কমানোর কথা, সেটিই অনেক সময় ‘স্ট্রেস’ বা অস্থিরতা বাড়িয়ে দিচ্ছে।

  • সারাক্ষণ সজাগ থাকা: মোবাইল দূরে থাকলেও প্রতিটি নোটিফিকেশন বা কলের জন্য মানুষ অস্থির হয়ে থাকে।

  • স্বাস্থ্য নিয়ে অতিরিক্ত সচেতনতা: হার্ট রেট বা স্টেপ কাউন্টারের দিকে বারবার নজর দেওয়া মানুষের মধ্যে এক ধরণের অস্থিরতা ও উদ্বেগের জন্ম দিচ্ছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *