Saraswati Puja Controversy | সরস্বতী পুজোয় ‘দুর্নীতি’ থিম বিতর্ক, জামিন পেলেন ৭ বিজেপি নেতা, সংবর্ধনা দিয়ে বিজয়োল্লাস বালুরঘাটে

Saraswati Puja Controversy | সরস্বতী পুজোয় ‘দুর্নীতি’ থিম বিতর্ক, জামিন পেলেন ৭ বিজেপি নেতা, সংবর্ধনা দিয়ে বিজয়োল্লাস বালুরঘাটে

শিক্ষা
Spread the love


বালুরঘাট: সরস্বতী পুজোর থিমে (Saraswati Puja Controversy) রাজ্য সরকারের সমালোচনা এবং তার জেরে দায়ের হওয়া এফআইআর (FIR)—গত কয়েকদিন ধরে দক্ষিণ দিনাজপুরের পতিরামে এই বিতর্কই ছিল তুঙ্গে। সেই মামলায় মঙ্গলবার বড়সড় স্বস্তি পেলেন অভিযুক্ত সাতজন বিজেপি নেতাকর্মী। বালুরঘাট আদালত তাঁদের আগাম জামিন মঞ্জুর করার পর এদিন জেলা বিজেপি কার্যালয়ে উৎসবের মেজাজ ধরা পড়ে।

এবারে পতিরামে একটি ছাত্র সংগঠনের সরস্বতী পুজোর থিম ছিল অত্যন্ত ইঙ্গিতপূর্ণ। একদিকে ‘কেন্দ্র সরকারের উন্নতি’ এবং অন্যদিকে ‘রাজ্য সরকারের দুর্নীতি’—এই দুই বৈপরীত্যকে মণ্ডপ সজ্জার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছিল। এই থিমকে কেন্দ্র করে স্থানীয় স্তরে উত্তেজনা ছড়ায়। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের এক নেতার পক্ষ থেকে পতিরাম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ ছিল, এই ধরনের থিম সামাজিক সম্প্রীতি নষ্ট করছে এবং মুখ্যমন্ত্রীকে অপমান করা হচ্ছে। আশ্চর্যের বিষয় হলো, উদ্যোক্তা ছাত্র সংগঠনের কারও নামে মামলা না হলেও, পুজোয় সহযোগিতার অভিযোগে সাতজন স্থানীয় বিজেপি নেতার নামে মামলা রুজু করে পুলিশ।

মঙ্গলবার বালুরঘাট আদালত ওই সাতজন বিজেপি নেতাকর্মীর আগাম জামিন মঞ্জুর করে। জামিন পাওয়ার পর ওই সাতজন বিজেপি জেলা কার্যালয়ে পৌঁছালে তাঁদের রাজকীয় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তপনের বিধায়ক বুধরাই টুডু, জেলা সাধারণ সম্পাদক বাপি সরকার, এবং বিজেপি যুব মোর্চার জেলা সভাপতি শুভ চক্রবর্তী। নেতাকর্মীদের গলায় ফুলের মালা পরিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।

জামিন পাওয়ার পরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিজেপি নেতৃত্ব। বিধায়ক বুধরাই টুডু বলেন, “পুলিশ প্রশাসন নির্লজ্জভাবে তৃণমূলের দলদাসের মতো কাজ করছে। যারা পুজো করল, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। বিজেপি স্রেফ সহযোগিতা করেছিল বলে বেছে বেছে আমাদের কর্মীদের নামে মিথ্যে মামলা দেওয়া হলো। আদালত আজ সত্যের জয় নিশ্চিত করেছে।” জেলা সাধারণ সম্পাদক বাপি সরকার স্পষ্ট জানান, “মিথ্যে মামলা করে বিজেপিকে ভয় দেখানো যাবে না। মানুষের কাছে সরকারের দুর্নীতির কথা আমরা এভাবেই তুলে ধরব।”

বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, তৃণমূল ভয় পেয়ে পুলিশের মাধ্যমে বিরোধী কণ্ঠস্বর রোধ করতে চাইছে। তবে এই জামিন পাওয়ার ঘটনাটি কর্মীদের মনোবল আরও বাড়িয়ে দিয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। অন্যদিকে, পুলিশের দাবি ছিল, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই অভিযোগের ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *