Sandy Saha to put on Saree on Ashtami

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দোরগোড়ায়। ‘পুজো’- এই একটি শব্দেই প্রত্যেক বাঙালির বুকের মধ্যে ঢাকের বোল বাজে! সময় যতই পালটে যাক, আধুনিকীকরণের ছোঁয়ায় ঐতিহ্যকেই আঁকড়ে ধরে রাখতে চায় মন। আর এই ক’দিন হাঁসফাঁস করা শশব্যস্ত শিডিউল থেকে বিরতি নিয়ে পরিবার-বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে নির্ভেজাল আড্ডা, প্যান্ডেল হপিং থেকে ভুরিভোজে মাতেন সকলে। ব্যতিক্রম নন স্যান্ডি সাহাও। গত কয়েক বছরে বাঙালি নেটিজেনদের কাছে স্যান্ডি মানেই একরাশ বিনোদনের সঙ্গে বিতর্কের সহবাস্থান। তাঁর ‘কাদা কাদা’ ভিডিও থেকে মহাকুম্ভে নাইটি পরে স্নান, ফুকেতের সমুদ্র সৈকত থেকে শুরু করে থাইল্যান্ডের চিড়িয়াখানা, লন্ডন ব্রিজ- নেটবাসিন্দাদের পেটে খিল ধরাতে স্যান্ডির কোনও বিকল্প হয় না। চলতিবারের পুজোয় কোন চমক দিচ্ছেন? সংবাদ প্রতিদিন-এর মুখোমুখি হয়ে জানালেন ইনফ্লুয়েন্সার।

সপ্তমী, অষ্টমী পরিবারের সঙ্গে যেমন সময় কাটাই, আবার বন্ধুদের সঙ্গে ক্লাবেও যাই। তবে একটা কথা বলতে চাই, এই পুজোর সময়ে আমি কিন্তু ‘ফেম’ ভীষণ উপভোগ করি।

আরও পড়ুন:

স্যান্ডি জানিয়েছেন, “প্রতিবছরের মতো এবারেও বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে ঠাকুর দেখতে বেরব। এখন অবশ্য আগের মতো লাইনে দাঁড়িয়ে ঠাকুর দেখতে হয় না। কারণ হয় ভিআইপি পাস থাকে, নয়তো আগেভাগেই পুজো পরিক্রমা, উদ্বোধনের সূত্রে ঠাকুরদর্শন হয়ে যায়। সপ্তমী, অষ্টমী পরিবারের সঙ্গে যেমন সময় কাটাই, আবার বন্ধুদের সঙ্গে ক্লাবেও যাই। তবে একটা কথা বলতে চাই, এই পুজোর সময়ে আমি কিন্তু ‘ফেম’ ভীষণ উপভোগ করি। রাস্তাঘাটে লোকজন চিনতে পারে। অনেকে এসে ছবিও তোলে। দিনের শেষে আমরা তো মানুষের ভালোবাসা পাওয়ার জন্যেই কাজ করি। তো সেই বিষয়টা পুজোর দিনগুলোতে আরও বেশি করে টের পাই। সেকারণেই পুজো আমার কাছে ভীষণ স্পেশাল।”

স্যান্ডি সাহা

“… পরের ২-৩ দিন প্রেমেই ভেসেছিলাম আমরা। সে এবছরও পুজোয় আসছে। নাম বলব না। সে-ও একজন ইনফ্লুয়েন্সার। এবার আমরা রং মিলান্তি পোশাক পরে প্যান্ডেল হপিং করব।”

আর পুজো মানেই তো চারদিনের স্পেশাল সাজগোজ। কীভাবে সাজবেন? প্রশ্ন যেতেই স্যান্ডি বললেন, “ষষ্ঠী থেকে নবমী- এই চারদিনের সাজপোশাকের জন্য বহুদিন আগেই ডিজাইনারকে বলে দিয়েছি। এখন শুধু পোশাকগুলো নেওয়া বাকি। তাছাড়া অনলাইনে কিছু ভাল লাগলে টুকটাক কেনাকাটি তো আছেই। পরিবারের সকলকেও উপহার দিই ফি বছর। এবারও আগেভাগেই মা-বাবা, ভাগ্নে-ভাগ্নির জন্য ওদের পছন্দমাফিক জামাকাপড় কিনে রেখেছি।” কথাপ্রসঙ্গেই ইনফ্লুয়েন্সার জানালেন, “অষ্টমীর অঞ্জলি আমার জন্যে ম্যান্ডেটরি। এরকমও হয়েছে, সপ্তমীতে গোটা রাত ঠাকুর দেখে ভোরে বাড়ি ফিরে কোনওরকমে অঞ্জলি দিতে ছুটেছি না ঘুমিয়ে। এবার অষ্টমীতে লাল পাড় সাদা শাড়ি পরব। তার সঙ্গে মানানসই গয়না বেছে রেখেছি। আর রাতে ধুতি-পাঞ্জাবি পরব। উলটোটাও হতে পারে কিন্তু! বেপাড়ার প্যান্ডেলে পাঞ্জাবি পরা ছেলে দেখলেই ক্রাশ খাই। কারণ পুজো আবার ক্রাশ ছাড়া জমে নাকি?” আর প্রেম? প্রশ্ন শুনেই সলজ্জভাবে ‘বিশেষ মানুষে’র কথা ভাগ করে নিলেন স্যান্ডি। কে তিনি?

ইনফ্লুয়েন্সার জানালেন, “গতবছর আমার জীবনে পুজোর প্রেম এসেছিল। সে বাঙালি হলেও মুম্বই নিবাসী। গতবার অষ্টমীতে ম্যাডক্সে দেখা। ও আমার সঙ্গে ছবি তুলতে এসেছিল। সেখান থেকেই আলাপ। তারপর নম্বর আদানপ্রদান। পরের ২-৩ দিন প্রেমেই ভেসেছিলাম আমরা। সে এবছরও পুজোয় আসছে। নাম বলব না। সে-ও একজন ইনফ্লুয়েন্সার। এবার আমরা রং মিলান্তি পোশাক পরে প্যান্ডেল হপিং করব।”

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *