Samsi | মাদ্রাসায় দুর্নীতির অভিযোগ! পরিচালন সমিতি ভেঙে প্রশাসক নিয়োগ শিক্ষা দপ্তরের

Samsi | মাদ্রাসায় দুর্নীতির অভিযোগ! পরিচালন সমিতি ভেঙে প্রশাসক নিয়োগ শিক্ষা দপ্তরের

ব্লগ/BLOG
Spread the love


মুরতুজ আলম,সামসী:  রতুয়া-১ ব্লকের দুটি মাদ্রাসায় একাধিক দুর্নীতির অভিযোগে পরিচালন সমিতি ভেঙে দিল জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক। অভিযুক্ত  শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দুটি হল সামসীর ভগবানপুর গার্লস হাই মাদ্রাসা ও বাটনা জে.এম.ও সিনিয়র মাদ্রাসা। ভগবানপুর গার্লস হাই মাদ্রাসায় ইতিমধ্যে মাদ্রাসা পরিচালন সমিতিকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়ে প্রশাসক(এডমিনিস্ট্রেটর) নিয়োগ করা হয়েছে। বাটনা জে.এম.ও. সিনিয়র মাদ্রাসায় ডি.ডি.ও. নিয়োগ করা হয়েছে। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

সম্প্রতি ভুতুড়ে শিক্ষক নিয়োগ সহ বেশ কিছু দুর্নীতি নিয়ে রতুয়ার এই দুটি মাদ্রাসার বিরুদ্ধে মাদ্রাসা বোর্ড এবং রাজ্য সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তরে একটি লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছিল।  সেই অভিযোগের ভিত্তিতে দুটি মাদ্রাসায় গত ১০ জুন সরজমিনে অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে যান প্রশাসনিক আধিকারিকেরা। পরিদর্শনে যাওয়া দলটির মধ্যে ছিলেন রাজ্য সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তরের(MA & ME) সচিব আইএএস(IAS) পি বি সেলিম,  রাজ্য মাদ্রাসা বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক ডক্টর আবু তাহের কামরুদ্দিন, মালদা জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক বাণীব্রত দাস, জেলা শাসক নীতিন সিংহানিয়া, জেলা সংখ্যালঘু আধিকারিক মেঘা লামা, চাঁচল মহকুমা শাসক সৌভিক মুখার্জী, রতুয়া-১ ব্লকের বিডিও রাকেশ টোপ্পো প্রমুখ। সামসী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রামচন্দ্র সাহার নের্তৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনীও উপস্থিত ছিল সেখানে। ওই দুটি মাদ্রাসা থেকে শিক্ষক হাজিরা খাতা সহ বেশ কিছু নথি বাজেয়াপ্ত করে ওই তদন্তকারী দল।

প্রশাসন ও শিক্ষা দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, কোনও নিয়ম নীতিকে তোয়াক্কা না করে রতুয়া-১ ব্লকের বাটনা জেএমও সিনিয়র মাদ্রাসায় শিক্ষক,শিক্ষিকা,অশিক্ষক মিলিয়ে মোট ১২ জন এবং ভগবানপুর গার্লস হাই মাদ্রাসায় মোট ৯ জনকে অবৈধভাবে নিয়োগ করা হয়েছিল।  এছাড়াও ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দুটিতে শিক্ষকদের গরহাজির, মাদ্রাসা পরিচালনায় স্বজনপোষণ ও বেশ কিছু আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এলাকার কতিপয় শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি ওই দুটি মাদ্রাসার একাধিক অনিয়মের অভিযোগে জেলা শিক্ষা দপ্তর থেকে শুরু করে মাদ্রাসা বোর্ড এবং নবান্নে অবস্থিত সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তরে(MA & ME)লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়ে তদন্ত দাবি করেছিলেন। তারই ভিত্তিতে গত ১০ জুন ওই দুটি মাদ্রাসায় নবান্নের নির্দেশে সরজমিনে তদন্ত করতে আসেন প্রশাসনিক আধিকারিকেরা।

মালদা জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক বাণীব্রত দাসের বক্তব্য, ‘অভিযোগগুলোর ভিত্তিতে আমরা তদন্ত করি এবং দুটি মাদ্রাসার তদন্ত রিপোর্ট মাদ্রাসা বোর্ড ও বিভিন্ন দপ্তরের পাঠানো হয়।তদন্তের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় দুটি মাদ্রাসারই পরিচালন সমিতি ভেঙে দেওয়ার।’  তিনি আরও জানান, ভগবানপুর গার্লস হাই মাদ্রাসায় ইতিমধ্যে মাদ্রাসা পরিচালন সমিতিকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়ে প্রশাসক(এডমিনিস্ট্রেটর)নিয়োগ করা হয়েছে ও বাটনা জে.এম.ও. সিনিয়র মাদ্রাসায় ডি.ডি.ও. নিয়োগ করা হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *