Samrat Choudhary crime comment controversy | ‘ক্রাইম আছে, কিন্তু অপরাধ নেই!’, সম্রাট চৌধুরীর ‘আজব’ মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: রাজ্য রাজনীতিতে এখন নতুন এক চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরীর (Samrat Choudhary crime comment controversy) একটি অদ্ভুত দাবি, যা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল আলোড়ন তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি নদীর জল ব্যবস্থাপনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রণালয় এবং বিহার সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় চৌধুরী এই মন্তব্য করেন।

তাঁর দাবি অনুযায়ী, বিহারের মাটিতে এখন আর কোনও অপরাধের অস্তিত্বই নেই এবং এই সংক্রান্ত ধারণার সম্পূর্ণ অবসান ঘটেছে। ঠিক এই প্রেক্ষাপটেই তিনি আরও জানান যে, এই রাজ্যে ক্রাইম হলেও প্রকৃত অর্থে কোনও ‘অপরাধ’ বা তার সঙ্গে যুক্ত কোনও অপরাধী আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। একই সঙ্গে তিনি জলসম্পদের সঠিক ও সুশৃঙ্খল রক্ষণাবেক্ষণকে রাজ্যের ঘুরে দাঁড়ানোর পথে দ্বিতীয় বৃহত্তম চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং স্পষ্ট জানান যে জলের সঠিক সদ্ব্যবহারই ফিরিয়ে আনতে পারে রাজ্যের সুদিন।

মুখ্যমন্ত্রীর এই ধরনের মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার সঙ্গে সঙ্গেই রাজনৈতিক তর্জা চরমে পৌঁছেছে। বিশেষ করে বিরোধী শিবির একে হাতিয়ার করে শাসকদলকে তীব্র আক্রমণ করতে পিছপা হয়নি। রাষ্ট্রীয় জনতা দল বা আরজেডি নেতা তথা বিধানসভার বিরোধী দলনেতা তেজস্বী যাদব (Tejashwi Yadav) এই বক্তব্যের একটি ক্লিপ নিজের সোশ্যাল মিডিয়া (Social Media) হ্যান্ডেলে শেয়ার করে সরাসরি ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। তাঁর প্রশ্ন, এই ধরনের অদ্ভুত বক্তব্যের পর মঞ্চে উপস্থিত আইএএস এবং আইপিএস ক্যাডারের শীর্ষস্থানীয় প্রশাসনিক কর্তারা এমন একজন নেতার অধীনে কাজ করতে নিজেদের কি সম্মানিত বোধ করছেন, নাকি চরম অপমানিত বোধ করছেন?

উল্লেখ্য, যে বিশেষ অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে সম্রাট চৌধুরী এই মন্তব্য করেছিলেন, সেখানে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণমন্ত্রী নিতিন গড়কড়ী সহ একাধিক হেভিওয়েট ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন। মূলত ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অফ ইন্ডিয়া বা এনএইচএআই এবং বিহার সরকারের মধ্যে একটি মৌ স্বাক্ষরিত হওয়ার সুবাদেই ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো রাজ্যের বিভিন্ন নদী ও জলাধার থেকে পলি অপসারণ করা এবং সেই সংগৃহীত পলি আগামীদিনে বিভিন্ন জাতীয় সড়ক নির্মাণের কাজে ব্যবহার করা। এনএইচএআই-এর দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিহারে বর্তমানে যে সমস্ত জাতীয় সড়ক প্রকল্প চলছে কিংবা যেগুলি আগামীদিনে প্রস্তাবিত অবস্থায় রয়েছে, সেগুলির সফল রূপায়নের জন্য প্রায় ২৪৩ লক্ষ ঘনমিটার পলির বিপুল প্রয়োজন রয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *