Ritabrata Banerjee | জেলবন্দি অবস্থায় মমতাকে জড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী ও সিবিআইকে কুণালের চিঠি! ঋতব্রতর দাবির প্রেক্ষিতে কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

Ritabrata Banerjee | জেলবন্দি অবস্থায় মমতাকে জড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী ও সিবিআইকে কুণালের চিঠি! ঋতব্রতর দাবির প্রেক্ষিতে কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: কালীঘাট তৃণমূল রীতিমতো খড়্গহস্ত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Ritabrata Banerjee) উপর। কথায় কথায় চোখা চোখা বাক্যবাণ ছুড়ে দেওয়া হচ্ছে বিদ্রোহী বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। কখনও ‘গদ্দার’ কখনও ‘বেইমান’ বিশেষনে দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এবার সেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই কার্যত বোমা ফাটালেন। নাম না করে কুণাল ঘোষকে (kunal Ghosh) তৃণমূলের ‘ম্যানেজিং ডিরেক্টর’ তকমা দিয়ে ৯১ পাতার একটি চিঠির কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। বিধানসভার প্রেস কর্নার থেকে ঋতব্রতের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, “যাঁদের নিজেদের ঘর কাচের, তাঁদের অন্যের দিকে ঢিল ছোঁড়া শোভা পায় না।”

ঠিক কী ছিল সেই চিঠিতে? ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, চিটফান্ড কেলেঙ্কারির জেরে কুণাল ঘোষ যখন হাজতববাস করছিলেন, তখন তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সিবিআই-কে একটি ৯১ পাতার দীর্ঘ চিঠি পাঠিয়েছিলেন। বিরোধী দলনেতার মতে, সেটি কেবল চিঠি ছিল না, ছিল একটা আস্ত রাজনৈতিক দলকে খতম করে দেওয়ার মতো ‘নিরেট দলিল’। তৎকালীন তৃণমূল সাংসদ কুণাল সেই চিঠিতে জেলের ভেতর নিজের প্রাণসংশয়ের আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। ঋতব্রতের অভিযোগ, “ওই চিঠির সিংহভাগ জুড়েই ছিল তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। সেখানে স্পষ্ট লেখা ছিল, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী চিটফান্ডের টাকায় চলেন এবং এই কেলেঙ্কারির সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী (Beneficiary) স্বয়ং নেত্রী নিজেই।’

এই প্রসঙ্গ টেনেই ঋতব্রত তৃণমূল নেত্রীকে পরামর্শ দেন, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তিনি যেন কুণালের থেকে ওই চিঠিটি চেয়ে নিয়ে পড়েন। অন্যথায় বিরোধী শিবির নিজেই সেই চিঠির কপি কুরিয়ার করে মুখ্যমন্ত্রীর ঠিকানায় পাঠিয়ে দেবে বলে জানান তিনি। তাঁর ইঙ্গিত, দল ভাঙার সলতে পাকানোর কাজটা অন্য কেউ নয়, ১০ বছর আগে কুণাল নিজেই শুরু করেছিলেন। চিঠিটি এদিন প্রকাশ্যে আনেননি বিরোধী দলনেতা। বরং তিনি জানান, ১৫ দিন পর চিঠিটি তিনি সাংবাদিকদের দিয়ে দেবেন।

ঋতব্রতর এই আক্রমণের জবাব দিতে অবশ্য বেশি সময় নেননি কুণাল ঘোষ। স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই তিনি বিরোধী দলনেতার আক্রমণকে উড়িয়ে দিয়ে বলেন, “আমাকে আক্রমণ করা হচ্ছে? ইয়ে ডর হামে আচ্ছা লাগা!” কুণালের দাবি, তাঁর লেখা সেই ৯১ পাতার চিঠি এতটাই চর্চিত যে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্ভবত সেটি পড়ে মুখস্থই করে ফেলেছেন। কুণালের প্রশ্ন, তিনি যখন জেলের ভেতর থেকে সত্য সামনে আনছিলেন তখন এই সমালোচকেরা কোথায় ছিলেন? এরপরই তাঁর হুঁশিয়ারি, যা বলার, হিম্মত থাকলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে গিয়ে বলুক। দিদিও বুঝে নেবেন, আমিও আমার মতো বুঝে নেব।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *