Ranvir Shorey reacts to intense social media trolling

Ranvir Shorey reacts to intense social media trolling

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


‘ককরোচ’-এর আন্দোলনে যুবসমাজের ব্যবহৃত অশালীন ভাষার বিরোধীতায় মোদির ভাষণের প্রশংসা করে সমালোচিত হয়েছিলেন অভিনেতা রণবীর শোরে। লাইমলাইট থেকে নিজেকে মোটামুটি দূরেই রাখেন। কিন্তু, এযাবৎকাল ফের চর্চায় কিংবদন্তি অভিনেত্রী ও পরিচালক অপর্ণা সেনের প্রাক্তন জামাই। এবার রণবীরের বিরুদ্ধে নারীবিদ্বেষী মন্তব্যের অভিযোগ। সোশাল মিডিয়ায় একটি রিল ভাইরাল হতেই আলোচনার কেন্দ্রে রণবীর শোরে।

দিন দুয়েক আগে বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা অনুপম খের, বোমান ইরানিদের সঙ্গে একটি মজার রিল বানান রণবীর। ‘খোসলা কা ঘোসলা ২’-এর শুটিংয়ের ফাঁকে বানানো সেই রিলটি ঝড়ের গতিতে সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। এক নেটাগরিক এক্স হ্যান্ডলে ব্যঙ্গাত্মক ক্যাপশনে সেই রিলটি পুনরায় শেয়ার করেন। যা দেখে একেবারে রেগে আগুন রণবীর। কড়া ভাষায় মন্তব্য করতেই বেকায়দায় কঙ্কনার প্রাক্তন স্বামী। তাঁর বিরুদ্ধে উঠেছে নারীবিদ্বেষী মন্তব্যের অভিযোগ। কিন্তু, কেন?

আরও পড়ুন:

আসলে যে প্রোফাইল থেকে রিলটি শেয়ার করা তাঁর প্রোফাইলে রয়েছে এক মহিলার ছবি। ব্যাস, তারপরই বিতর্কের সূত্রপাত। তবে রণবীরের দাবি, তাঁর সঙ্গে কেউ অভব্য আচরণ না করলে তিনি কখনও কাউকে আঘাত করেন না বা খারাপ ব্যবহার করেন না। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রণবীর বলেন, “যাঁরা আমাকে কটাক্ষ করে আমি তাঁদের সেই ভাষাতেই জবাব দিই। এর জন্য আমি ক্ষমা চাইব না। আপনি যে অ্যাকাউন্টের কথা বলছেন সেখানে অত্যন্ত নিম্নরুচির কনটেন্ট থাকে। সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টের প্রকৃত মালিকানা কার সেবিষয়ে আমি জানি জানি না। প্রোফাইল ছবিতে মেয়ে বা ছেলের ছবি আছে কিনা সেটার থেকেও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কী ধরনের ভাষা প্রয়োদর করা হচ্ছে। যদি কোনও মহিলা অশালীন ভাষায় কথা বলতে পারে তাহলে তাকেও একই ধরনের জবাব শোনার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।”

রণবীরের বক্তব্যে বিতর্ক আরও জোরাল হয়। সামাজিকমাধ্যমে অনেকেই রণবীরের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনা শুরু করেন। অনেকে তো আবার দাবি করছেন, রণবীরের আচরণগত সমস্যার জন্যই অভিনেত্রী কঙ্কনা সেন শর্মার সঙ্গে দাম্পত্যে চিড় ধরেছিল।

এ প্রসঙ্গে রণবীরের মত, “কিছু মানুষ আছেন যাঁরা শুধু অপমানজনক মন্তব্য করেন। যার ফলে মানুষের মনে ঘৃণার জন্ম হয়। পুরুষ হোক বা নারী কারও কাছ থেকেই অপমান বা ঘৃণা চুপচাপ সহ্য করার কোনও নৈতিক, সামাজিক বা আইনি বাধ্যবাধকতা আমার নেই। মাত্র ১৫ সেকেন্ডের একটি মজার রিলকে ঘিরে এত কিছু, তবে এই অধ্যায় এখানেই শেষ করছি। পরের রিল নিয়ে ভাবতে চাই।”

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *