Ram Mandir | ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং উসকানিমূলক’ রামমন্দিরে ধ্বজ উত্তোলন নিয়ে পাক কটাক্ষের জবাব দিল ভারত

Ram Mandir | ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং উসকানিমূলক’ রামমন্দিরে ধ্বজ উত্তোলন নিয়ে পাক কটাক্ষের জবাব দিল ভারত

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: সংখ্যালঘুদের স্বার্থরক্ষা নিয়ে পাকিস্তানের মন্তব্যের কড়া জবাব দিল ভারত। মঙ্গলবার অযোধ্যায় রামমন্দিরের (Ram Mandir) চূড়ায় ধর্মধ্বজ উত্তোলন (Ram Mandir Dhwajarohan) করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে তিনি মন্তব্য করেন, ভগবান রাম কোনও ভেদাভেদ করতেন না। সেই ভাবনা নিয়েই চলছে বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার। প্রধানমন্ত্রীর দাবি তার সরকার অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের বিশ্বাস করে। ‌এরপরই পাকিস্তান এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ভারতকে কটাক্ষ করে। পাক বিদেশমন্ত্রক এই ঘটনাকে ‘ইসলামফোবিয়া’ এবং ‘ঐতিহ্যের অপবিত্রতা’ বলে আক্রমণ করে। ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংসের প্রসঙ্গ টেনে ভারতের সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে সরব হয় ইসলামাবাদ। তার জবাবেই ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, সংখ্যালঘুদের নিয়ে কথা বলার নৈতিক অধিকার পাকিস্তানের নেই। পাকিস্তানে সংখ্যালঘুরা সংখ্যাগুরুদের গোঁড়ামির শিকার। ইসলামাবাদের এই ধরনের প্রতিক্রিয়া উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং উসকানিমূলক। ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানোর কোনও অধিকার পাকিস্তানের নেই। গোটা বিশ্ব জানে সে দেশে সংখ্যালঘুদের উপরে কী ধরনের নিপীড়ন নির্যাতন চলছে। পাকিস্তানের সেদেশে সংখ্যালঘুদের ধর্মাচরণের অধিকার ও মানবাধিকার পুনরুদ্ধার করার ক্ষেত্রে আন্তরিক প্রচেষ্টা চালানো উচিত।

অযোধ্যায় মঙ্গলবারের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মোদি ছাড়াও যোগী আদিত্যনাথ ও আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতও উপস্থিত ছিলেন। রামমন্দিরের চূড়ায় গেরুয়া পতাকা ওড়ান প্রধানমন্ত্রী। এই উপলক্ষ্যে প্রচুর ভক্ত অযোধ্যায় উপস্থিত হয়।

‌গোটা বিশ্বের হিন্দু সম্প্রদায় ওই অনুষ্ঠান প্রত্যক্ষ করেন। অযোধ্যায় নবনির্মিত রাম মন্দিরের উদ্বোধন হয় গত বছরের ২২ জানুয়ারি। ২০১৯ সালের ৯ নভেম্বর দেশের সুপ্রিম কোর্ট রামমন্দির নির্মাণের পক্ষে রায় দেয়। ওই রায়ের ফলে অযোধ্যায় মন্দির মসজিদ নিয়ে ৫০০ বছরের আইনি বিবাদের পরিসমাপ্তি ঘটে। ‌



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *