Rajganj Burning Loss of life | রাজগঞ্জে অগ্নিদগ্ধ তরুণীর মৃত্যু! মৃতদেহ আটকে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, উত্তাল বিহারুহাট

Rajganj Burning Loss of life | রাজগঞ্জে অগ্নিদগ্ধ তরুণীর মৃত্যু! মৃতদেহ আটকে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, উত্তাল বিহারুহাট

শিক্ষা
Spread the love


রাজগঞ্জ: প্রাক্তন প্রেমিকের নৃশংসতার (Rajganj Burning Loss of life) শিকার হওয়া তরুণী জাহানারা বেগমের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার বিকেলে উত্তাল হয়ে উঠল রাজগঞ্জ থানার সন্ন্যাসীকাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের বিহারুহাট গ্রাম। গত বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাতে প্রাক্তন প্রেমিক সরিফুল আলম জাহানারার গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল বলে অভিযোগ। চার দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার রাতে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি। মঙ্গলবার বিকেলে ময়নাতদন্তের পর দেহ গ্রামে পৌঁছালে অভিযুক্তের পরিবারের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বিবাহিত প্রাক্তন প্রেমিক সরিফুল আলম জাহানারার বাড়ির সামনে এসে তাঁকে নিজের সাথে যাওয়ার জন্য চাপ দেয়। জাহানারা যেতে অস্বীকার করলে রাগের মাথায় তাঁর গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় সরিফুল। এই ঘটনায় পুলিশ সরিফুলকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করলেও পরিবারের অভিযোগ, এই পরিকল্পিত খুনের সঙ্গে সরিফুলের বাবা বশিরুল হক এবং আরও কয়েকজন জড়িত।

মঙ্গলবার বিকেল ৫টা নাগাদ জাহানারার দেহ গ্রামে আসতেই উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। রাজগঞ্জ থানার আইসি অমিতাভ দাসের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র‍্যাফ (RAF) মোতায়েন থাকলেও উত্তেজিত জনতা মৃতদেহ আটকে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে সরিফুলের বাবা ও অন্যান্য সহযোগীদের গ্রেপ্তার করতে হবে। এই সময় পুলিশের সঙ্গে উত্তেজিত গ্রামবাসীদের কয়েক দফায় ধস্তাধস্তি হয়। জাহানারার দাদা মোকসেদুল হকের অভিযোগ, “পুলিশ কয়েকদিন ধরে তদন্ত করেও বাকিদের ধরছে না কেন? আমার বোনকে যেভাবে পুড়িয়ে মারা হলো, তার জন্য আমরা দোষীদের ফাঁসি চাই।”

সন্ন্যাসীকাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রুবা খানম এবং তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি তহমিদার রহমান— উভয়েই এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। প্রধান রুবা খানম বলেন, “এই ধরনের জঘন্য অপরাধের জন্য দোষীদের ফাঁসির সাজা হওয়া উচিত। পুলিশ আরও যারা জড়িত তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করুক।” অন্যদিকে, অভিযুক্ত সরিফুলের বাড়ির লোকজন পলাতক থাকায় তাঁদের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

রাজগঞ্জ থানার আইসি অমিতাভ দাসের মধ্যস্থতায় এবং বাকিদের গ্রেপ্তারের আশ্বাসের পর পরিস্থিতি শান্ত হয়। সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ কড়া পুলিশি পাহাড়ায় বিহারুহাট কবরস্থানে জাহানারার মরদেহ কবরস্থ করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং অপরাধীদের কাউকেই রেয়াত করা হবে না।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *