Umar Khalid | বোনের বিয়ে: ১৩ দিনের অন্তর্বর্তী জামিন পেলেন উমর খালিদ, ‘কড়া’ শর্ত আদালতের!

Umar Khalid | বোনের বিয়ে: ১৩ দিনের অন্তর্বর্তী জামিন পেলেন উমর খালিদ, ‘কড়া’ শর্ত আদালতের!

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: দিল্লি দাঙ্গার ‘বৃহত্তর ষড়যন্ত্র’ মামলায় অভিযুক্ত এবং প্রাক্তন জেএনইউ ছাত্রনেতা উমর খালিদ অবশেষে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন! বোনের বিয়ে উপলক্ষে তাঁকে দু’সপ্তাহের অন্তর্বর্তী জামিন (Interim Bail) দিল দিল্লির কারকারডুমা আদালত। আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি জেলের বাইরে থাকতে পারবেন।

উমর খালিদ আদালতের কাছে ১৪ থেকে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন। তাঁর যুক্তি ছিল, আগামী ২৭ ডিসেম্বর তাঁর বোনের বিয়ে এবং পারিবারিক অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতি অপরিহার্য।

বিচারক জানিয়েছেন, আবেদনকারীর নিজের বোনের বিয়ে—এই মানবিক দিকটি বিবেচনা করেই এই জামিন দেওয়া হয়েছে। তবে জামিনের জন্য ২০,০০০ টাকার ব্যক্তিগত বন্ড এবং সমপরিমাণ অর্থের দু’জন শিউরিটি (Sureties) দিতে বলা হয়েছে।

জামিন দিলেও আদালত উমর খালিদের ওপর একাধিক কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে:
সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ: জামিন চলাকালীন তিনি কোনোভাবেই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করতে পারবেন না।
সাক্ষীদের সঙ্গে যোগাযোগ নয়: মামলার কোনও সাক্ষী বা সংশ্লিষ্ট কোনও ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে না।
অবস্থান: তাঁকে নিজের বাড়িতে অথবা বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য নির্ধারিত স্থানগুলোতেই থাকতে হবে।
মোবাইল ফোন: তদন্তকারী অফিসারকে নিজের মোবাইল নম্বর দিতে হবে এবং জামিনের পুরো সময়কালে ফোনটি চালু রাখতে হবে।
সাক্ষাৎ: তিনি শুধুমাত্র পরিবারের সদস্য, আত্মীয় এবং বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করতে পারবেন।

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ২৯ ডিসেম্বর অন্তর্বর্তী জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সন্ধ্যায় তাঁকে জেল সুপারিন্টেন্ডেন্টের কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে।

উমর খালিদের জামিন প্রসঙ্গে জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি বিচার ব্যবস্থার সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, “এটা অত্যন্ত মর্মান্তিক এবং বিস্ময়কর যে বোনের বিয়েতে মাত্র ১৩ দিনের প্যারোল পেতে উমর খালিদকে ৫ বছর অপেক্ষা করতে হল। অথচ গুরমিত রাম রহিমের মতো ধর্ষণ ও খুনে দোষী সাব্যস্ত অপরাধীরা বারবার প্যারোলে জেলের বাইরে আসছে। এই বৈষম্য আমাদের বিচার ব্যবস্থার এক উদ্বেগজনক অসঙ্গতি ও পক্ষপাতিত্বকে উন্মোচিত করে।”

প্রসঙ্গত, দিল্লি দাঙ্গার ‘বৃহত্তর ষড়যন্ত্র’ মামলায় ইউএপিএ (UAPA) আইনের আওতায় ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর থেকে জেলবন্দি রয়েছেন উমর খালিদ। যদিও তিনি বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছেন।উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে এবং ২০২২ সালে পারিবারিক বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য উমর খালিদকে স্বল্পমেয়াদী অন্তর্বর্তী জামিন দেওয়া হয়েছিল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *