Raiganj | ভাবনায় পাখি গবেষণা, রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়া উপাচার্যের পরিকল্পনা

Raiganj | ভাবনায় পাখি গবেষণা, রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়া উপাচার্যের পরিকল্পনা

ভিডিও/VIDEO
Spread the love


রাহুল দেব, রায়গঞ্জ: রায়গঞ্জের (Raiganj) কুলিক পক্ষীনিবাসের খ্যাতি এশিয়া মহাদেশজুড়ে। এবার কুলিক পক্ষীনিবাসকে কেন্দ্র করে অরনিথলজিক্যাল বা পক্ষীবিজ্ঞান গবেষণাকেন্দ্র তৈরির ক্ষেত্রে উদ্যোগী রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় (Raiganj College)। বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসেবে যোগ দেওয়ার কথা উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যার অধ্যাপক ডঃ অর্ণব সেনের। বিশ্ববিদ্যালয়ে পা রাখার পরেই এ ব্যাপারে তিনি উদ্যোগ নেবেন বলে খবর। পাখি সংক্রান্ত গবেষণাকেন্দ্রটি স্থাপন হলে পড়ুয়া থেকে শিক্ষক, সকলেই উপকৃত হবেন।

রায়গঞ্জ শহরের প্রাণীবিদ্যার সাম্মানিক স্নাতক পড়ুয়া দেবদীপ দাস বলেন, ‘আমাদের এদিকে অরনিথলজির উপর কোনও স্পেশাল পেপার হয় না। যদি সত্যিই এই সংক্রান্ত গবেষণাকেন্দ্র গড়ে তোলা হয়, তাহলে প্রচুর ছাত্রছাত্রী উপকৃত হবে।’ সুরেন্দ্রনাথ মহাবিদ্যালয়ের স্যাক্ট শিক্ষক ডঃ দেবজিৎ চক্রবর্তীর কথায়, ‘অরনিথলজি বিষয়ে অনেক ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা করতে চায়। কিন্তু এদিকে সেই সুযোগ না থাকায় তারা বঞ্চিত। আশা করি এবার সেই সমস্যার সমাধান হবে।’

২০১৫ সালে পথ চলা শুরু হয়েছে রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের। গত ১১ বছরে অনেক উপাচার্য পেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু কোনও উপাচার্যই এ বিষয়ে উদ্যোগ নেননি। শুধু কুলিকের পাখি সংক্রান্ত গবেষণামূলক কাজ নয়, জীববিজ্ঞানের গণনামূলক (কম্পিউটেশনাল বায়োলজি) কাজের উপরও বিশেষ গুরুত্ব দেবেন বলে জানান ভাবী উপাচার্য।

উত্তরবঙ্গ সংবাদকে ডঃ অর্ণব সেন বলছেন, ‘রায়গঞ্জের কুলিক পক্ষীনিবাসের পাখিকে নিয়ে খুব ভালো কাজ হতে পারে। সে জন্য অরনিথলজিক্যাল কেন্দ্র গড়ে তোলার বিষয়ে উদ্যোগ নেব। পাশাপাশি কম্পিউটেশনাল বায়োলজির উপর বিশেষ গুরুত্ব দেব।’ রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক অসংগতি বা সমস্যার কথা স্বীকার করে ভাবী উপাচার্য বলেন, ‘বেশকিছু সমস্যা রয়েছে। ইতিমধ্যে আমি সেই বিষয়ে পড়াশোনা করেছি। আবার কিছু ভালো দিক ও ভালো গবেষকও আছেন। ভালো কাজ বিশেষ গুরুত্ব পাবে।’ উত্তর দিনাজপুর জেলার একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় হলেও ১১ বছরে কোনও সায়েন্স কংগ্রেস হয়নি।

২০২১ সালে ‘ন্যাক’-এর মূল্যায়নে ডাহা ফেল করে ‘ডি’ গ্রেড পায় রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়। তাঁর লক্ষ্য ‘বি’ গ্রেডে বিশ্ববিদ্যালয়কে পৌঁছে দেওয়া। তাঁর কথায়, ‘ন্যাকের মূল্যায়নে ন্যূনতম বি গ্রেড পেতেই হবে। তাহলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে গ্র্যান্ট যেমন আসবে, তেমনই কাজের পরিধিও বাড়বে। গ্রেড ঠিক থাকলে দূরশিক্ষাও চালু করা সম্ভব।’

অন্যদিকে, ক্যাগ রিপোর্টে একাধিক আর্থিক অসংগতি নজরে পড়েছে। এক্ষেত্রে কড়া অবস্থানের কথাই বলছেন তিনি। তাঁর সাফ কথা, ‘যাঁরা সেসময় যুক্ত ছিলেন, তাঁদের প্রত্যেককে ডাকা হবে। তদন্ত করে পুরো বিষয়টি দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *