Raiganj | আধার কার্ডে মা-ছেলের বয়সের ব্যবধান মাত্র ৬ বছর! ধৃত ২ বাংলাদেশি

Raiganj | আধার কার্ডে মা-ছেলের বয়সের ব্যবধান মাত্র ৬ বছর! ধৃত ২ বাংলাদেশি

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


রায়গঞ্জ: ছেলে আর মায়ের মধ্যে বয়সের ফারাক মাত্র ছয় বছর। আধার কার্ডে এমন ‘বিচিত্র’ তথ্য দেখে এক বাংলাদেশির খোঁজ পেল বিএসএফ ও পুলিশ। ঘটনাস্থল রায়গঞ্জ থানার ভাতুন গ্রাম পঞ্চায়েত। মহম্মদ শামসুল নামে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আসলে বাংলাদেশের (Bangladesh) ঠাকুরগাঁও জেলার গোপালপুর থানা এলাকার বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে। ভুয়ো আধার কার্ডের সূত্র ধরে আরও এক ব্যক্তিকে রায়গঞ্জ (Raiganj) থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতের নাম আবদুল বারেক। তাঁর বাড়িও বাংলাদেশের ঠাকুরগাঁও জেলায়।

পুলিশ জানিয়েছে, দালালের মাধ্যমে শামসুল বছর দুয়েক আগে হেমতাবাদের (Hemtabad) চৈনগর বিওপি দিয়ে সীমান্ত পেরোন। তিনি প্রথমে ভাটোলের তাজপুর গ্রামে থাকতেন। ওই গ্রামের মেয়েকে বিয়ে করে ভিনরাজ্যে কাজে যান। তিনি শ্রমিকের কাজ করতেন বলে পুলিশকে জানিয়েছেন। এরপর শামসুল তাঁর মাকে বাংলাদেশ থেকে চোরাপথে সীমান্ত পেরিয়ে ভাটোলে নিয়ে আসেন। দালালচক্রের মাধ্যমে শামসুল প্রথমে নিজের এবং পরে মায়ের ভুয়ো আধার কার্ড তৈরি করেন বলে অভিযোগ।

গত কয়েকদিন ধরে শামসুলকে সীমান্তবর্তী মালদোখণ্ড বিওপি এলাকায় কাঁটাতার সংলগ্ন রাস্তায় ঘোরাঘুরি করতে দেখা যাচ্ছিল। অভিযোগ, তিনি দালালের মাধ্যমে ফের নিজের আরেকটি ভুয়ো আধার কার্ড তৈরির চেষ্টা করছিলেন। সিসিটিভি ফুটেজে তাঁর সন্দেহজনক চলাফেরা দেখে বিএসএফ আটক করে। তল্লাশি চালাতেই উদ্ধার হয় দুটি ভুয়ো আধার কার্ড।

পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে শামসুল জানিয়েছেন, তিনি কৌতূহলের বশে একাধিক আধার কার্ড তৈরি করেছিলেন। দুটো আধার কার্ডই অবশ্য বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। যদিও কোনও সন্ত্রাসবাদী সংগঠন তাঁকে গুপ্তচর হিসাবে ভারতে পাঠিয়েছে কি না, সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন বিএসএফের গোয়েন্দা ও পুলিশ আধিকারিকরা। ধৃতের মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে তিনি কাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন।

তবে পুলিশ ও বিএসএফ যৌথভাবে তল্লাশি চালিয়েও শামসুলের মায়ের সন্ধান পায়নি। তবে সেই সূত্রে আবদুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রায়গঞ্জ পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার সোনাওয়ানে কুলদীপ সুরেশ বলেন, ‘ভুয়ো আধার কার্ডের ভিত্তিতে দুজন বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতের মায়ের খোঁজে তল্লাশি চলছে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *