Practice | ট্রেনের দেরিতে নাকাল যাত্রীরা, বাড়ছে অসন্তোষ

Practice | ট্রেনের দেরিতে নাকাল যাত্রীরা, বাড়ছে অসন্তোষ

শিক্ষা
Spread the love


মালবাজার: প্রায় প্রতিদিনই দেরিতে চলছে আলিপুরদুয়ার–শিলিগুড়ি ডাউন ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস ও ডাউন কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেস। একই সঙ্গে বেশ কয়েকটি আপ ট্রেনও (Practice) নির্ধারিত সময়ে স্টেশনে ঢুকতে ব্যর্থ হচ্ছে। এমনকি ঘণ্টার পর ঘণ্টা প্ল্যাটফর্মে দাঁড় করিয়ে রাখা হচ্ছে। ডুয়ার্সের (Dooars) নিউ মাল জংশন ও তার আশপাশের একাধিক স্টেশনে এই অনিয়ম ক্রমশ বাড়তে থাকায় যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়াচ্ছে।

বুধবারও ডামডিম রেলস্টেশন থেকে সকাল ৮টা ২৮ মিনিটের বদলে ৯টা ২০-তে আলিপুরদুয়ার–শিলিগুড়ি ডাউন ইন্টারসিটি ছাড়ে। কিন্তু ট্রেনটিকে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। এর আগে নিউ মাল জংশনেও ট্রেনটিকে অনেকক্ষণ দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল। এর জেরে ক্ষুব্ধ যাত্রীরা ট্রেন থেকে নেমে স্টেশন মাস্টারের কাছে অভিযোগ জানাতে যান। কিন্তু সে সময়ে স্টেশন মাস্টার উপস্থিত না থাকায় তাঁদের লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়নি। পরে এক যাত্রী খুদু বসু বলেন, ‘আমরা বিষয়টি উপরমহলে জানাব।’

এ বিষয়ে ডামডিমের স্টেশন মাস্টার দিলীপকুমার লামা বলেন, ‘আমি তখন ডিউটিতে ছিলাম না। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি।’ একই রকম পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে নিউ মাল জংশনেও। ডাউন কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেস সেখানে নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে প্রবেশ করছে। গত কয়েক মাস ধরেই শিলিগুড়ি থেকে আলিপুরদুয়ার রুটে ট্রেনগুলিকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ক্রসিংয়ে দাঁড় করিয়ে রাখার অভিযোগ উঠছে। এই রুটটি সিঙ্গল লাইন হওয়ায় সমস্যা আরও প্রকট হচ্ছে বলে জানিয়েছেন যাত্রীরা।

কাজল সাহা নামে এক যাত্রী বলেন, ‘এমনিতেই এই রুটে সিঙ্গল লাইন এবং ট্রেনের সংখ্যা কম। তার ওপর নির্ধারিত সময়ে ট্রেন না চললে আমাদের নানা সমস্যার মুখে পড়তে হয়। ডুয়ার্সের মানুষের কথা চিন্তা করে রেলের উচিত বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা।’ সাধারণ যাত্রীদের দাবি, ঘণ্টার পর ঘণ্টা ট্রেন দাঁড় করিয়ে রাখায় ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ সমস্যার মধ্যে পড়ছেন।

জলপাইগুড়ির সাংসদ জয়ন্ত রায়ের কথায়, ‘কুয়াশার কারণেও ট্রেনের দেরি হতে পারে। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি।’ এ প্রসঙ্গে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের আলিপুরদুয়ার ডিভিশনের এডিআরএম শাহেমলুং কামেই বলেন, ‘বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *