PM Modi | কলকাতার দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি কেন্দ্রের প্রচেষ্টাতেই! ‘মন কি বাত’-এ দাবি মোদির

PM Modi | কলকাতার দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি কেন্দ্রের প্রচেষ্টাতেই! ‘মন কি বাত’-এ দাবি মোদির

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো এখন শুধু আর রাজ্য বা দেশের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়, তার খ্যাতি পৌঁছে গিয়েছে বিশ্বদরবারে। ২০২১ সালে কলকাতার দুর্গাপুজো ইউনেস্কোর ‘বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য’-র তকমা পাওয়ার পর থেকেই এই স্বীকৃতির কৃতিত্ব কার, তা নিয়ে দড়ি টানাটানি চলছে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মধ্যে। এবার সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

রবিবার তাঁর ১২৬তম ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন, কয়েক বছর আগে কেন্দ্রীয় সরকারের চেষ্টাতেই কলকাতার দুর্গাপুজো ইউনেস্কোর তালিকায় জায়গা পেয়েছে। তিনি এও দাবি করেন, দেশের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলির বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি পেলে বিশ্বের মানুষ সেগুলি সম্পর্কে জানতে পারবে, বুঝতে পারবে এবং অংশগ্রহণে আগ্রহী হবে।

প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ ইউনেস্কোর এই মর্যাদা প্রাপ্তির পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারও এই স্বীকৃতির কৃতিত্ব দাবি করে আসছে। এই আবহে ‘মন কি বাত’-এর মঞ্চ থেকে মোদির এই বার্তা কার্যত কেন্দ্রের দাবির পক্ষেই জোর সওয়াল করল।

এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী এদিন ছট পুজোর কথাও তোলেন। তিনি জানান, ছট পুজো শুধু দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নয়, বিশ্বের নানা জায়গায় পালিত হচ্ছে এবং এটি ক্রমশ একটি আন্তর্জাতিক উৎসবে পরিণত হচ্ছে। এর পরই মোদি ঘোষণা করেন, “ছট পুজো যাতে ইউনেস্কোর ‘বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য’-র তকমা পায়, তার জন্য চেষ্টা করে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার।” তাঁর মতে, ছট পুজো এই স্বীকৃতি পেলে বিশ্বের মানুষ এর মহিমা অনুভব করতে পারবে।
এছাড়াও, ‘মন কি বাত’-এর এই পর্বে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একাধিক বিষয়ে আলোকপাত করেন। তিনি দেশকে ‘আত্মনির্ভর’ করার লক্ষ্যে ফের একবার দেশবাসীর কাছে স্বদেশি পণ্য কেনার আহ্বান জানান। অপরদিকে, বিজয়া দশমীর দিন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (আরএসএস) প্রতিষ্ঠার শতবর্ষ পূর্ণ হচ্ছে। এই উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী সঙ্ঘের উচ্ছ্বসিত প্রশংসাও করেন।

সবমিলিয়ে, দুর্গাপুজোর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নিয়ে কেন্দ্র-রাজ্য তরজার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য আগামী দিনে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্কের জন্ম দেবে বলেই মনে করা হচ্ছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *