উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: ঘি-মাখন খাওয়া ভালো। তবে অতিরিক্ত খেলেই শরীরে কোলেস্টেরল ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। ফলে এখন অনেকেই ঘি-মাখন ছেড়ে পিনাট বাটারের (Peanut Butter) দিকে ঝুঁকছেন। এটি হল চিনেবাদাম দিয়ে তৈরি মাখন। এখন পুষ্টিবিদরাও ডায়েটে পিনাট বাটার রাখার কথা বলেন। এই বাটার খেলে কী কী উপকার হয় শরীরের, তা ঝটপট জেনে নিন।
পেশি এবং চোখের সমস্যা কমায়
পিনাট বাটারের মধ্যে ভিটামিন ই রয়েছে। ফলে এটি খেলে পেশির স্বাস্থ্য ভালো থাকে। সেই সঙ্গে স্নায়ু শিথিল রাখতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতেও পিনাট বাটার সাহায্য করে। পিনাট বাটার চোখের স্বাস্থ্যের জন্যও উপযোগী।
হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখে
পিনাট বাটার কোলেস্টেরল বাড়ায় না। বরং, পিনাট বাটার রক্তে ‘খারাপ’ কোলেস্টেরল বা এলডিএলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। এর জেরে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। এছাড়া পিনাট বাটারে ম্যাগনেশিয়াম রয়েছে, যা ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখে।
ওজন কমাতে সাহায্য করে
ঘি বা মাখন খেলে ওজন বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। কিন্তু পিনাট বাটারে ওজন বৃদ্ধির ভয় কম। চিনেবাদামের মাখনের মধ্যে প্রোটিন, ফাইবার রয়েছে। তাই এক চামচ পিনাট বাটার খেলেই পেট ভরে যায় এবং অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে।
ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে
ডায়াবিটিসের রোগীরা পিনাট বাটার খেতে পারেন। কারণ পিনাট বাটারের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। তাই ডায়াবিটিসের রোগীরা রুটির সঙ্গে পিনাট বাটার খেতেই পাবেন।
তবে পিনাট বাটারও মাত্রাতিরিক্ত খেলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে। তাই দিনে এক-দু’চামচের বেশি পিনাট বাটার না খাওয়াই ভালো। আপেল, কলার মতো ফলের সঙ্গে বা ওটস, স্মুদির সঙ্গেও পিনাট বাটার খেতে পারেন।
