Patna Excessive Court docket says this about adultery and divorce

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


পরকীয়া অপরাধ নয়। বহুদিন আগেই জানিয়ে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। এবার বিবাহবিচ্ছেদ মামলায় আরও একটি তাৎপর্যপূর্ণ রায় দিল পাটনা হাই কোর্ট। আদালত বলছে, স্রেফ নিজের জীবনসঙ্গীকে অন্যের সঙ্গে ‘আপত্তিকর’ অবস্থায় দেখাটাই পরকীয়া প্রমাণে যথেষ্ট নয়। সুতরাং, সেটার ভিত্তিতে বিবাহ বিচ্ছেদের অনুমতিও দেওয়া যাবে না।

পাটনা হাই কোর্টের বিচারপতি বিবেক চৌধুরী এবং বিচারপতি রানা বিক্রম সিংয়ের বেঞ্চ জানিয়ে দিল, শুধু নিজের সঙ্গীকে অন্য কারও সঙ্গে ঘনিষ্ঠ বা আপত্তিকর দেখাটাই এটা প্রমাণে যথেষ্ট নয় যে তিনি পরকীয়ায় লিপ্ত। আদালতের বক্তব্য, ১৯৫৫ সালের পরকীয়া আইনের ১৩(আই)(ওয়ান) ধারা অনুযায়ী, একমাত্র নিজের সঙ্গী ছাড়া অন্য কারও সঙ্গে সঙ্গম করলে, তবেই সেটাকে পরকীয়া হিসাবে গণ্য করে সেটার ভিত্তিতে বিবাহ বিচ্ছেদের অনুমতি দেওয়া যায়। দুই সদস্যের বেঞ্চ বলছে, “কাউকে আপত্তিকর বা ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা আর কাউকে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হতে দেখার মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাৎ আছে। খানিকটা চমকপ্রদভাবেই এক্ষেত্রে অভিযোগকারী যৌন সম্পর্কের অভিযোগ করেননি।”

আরও পড়ুন:

যে মামলার প্রেক্ষিতে এই রায়, সেই মামলায় এক ব্যক্তি তাঁর স্ত্রীর থেকে বিচ্ছেদের আবেদন করেছিলেন। ওই ব্যক্তির অভিযোগ ছিল, তাঁর স্ত্রী নিজের জামাইবাবুর সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত। একাধিকবার তাঁদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখেছেন তিনি। ওই দম্পতির বিয়ে হয় ২০০৬ সালে। ২০১০ সালে তাঁদের একটি সন্তানও হয়। যদিও স্বামীর আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করছেন স্ত্রী। তাঁর সাফ কথা, জামাইবাবুর সঙ্গে কোনওরকম সম্পর্ক তাঁর নেই। জামাইবাবুর নাম জড়িয়ে যেভাবে বদনাম করা হচ্ছে সেটাই তাঁর সঙ্গে নিষ্ঠুরতার শামিল।

মামলায় দু’পক্ষের বক্তব্য শোনার পর হাই কোর্ট ওই ব্যক্তির বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন খারিজ করে দেন। আদালতের বক্তব্য, পরকীয়া প্রমাণে অনেক সময়ই প্রত্যক্ষ প্রমাণ পাওয়া যায় না। দু’পক্ষের বক্তব্য শোনার পর যেটা বেশি বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়, সেই ধারণাকেই স্বীকৃতি দিতে হয়। এক্ষেত্রে স্পষ্ট, যে অভিযোগ করা হয়েছে সেটা বিবাহবিচ্ছেদের জন্য যথেষ্ট প্রমাণ নয়।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *