উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: ঠিক এক বছর আগের সেই টানটান উত্তেজনা। ২০২৫ সালের ৭ মে সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানের জঙ্গিঘাঁটিতে প্রত্যাঘাত হেনেছিল ভারতীয় বায়ুসেনা। পহেলগাঁও জঙ্গি হামলায় (Pahalgam Terror Assault) ২৬ জন নিরপরাধ ভারতীয়র মৃত্যুর বদলা নিতে শুরু হয়েছিল ‘অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor)। আজ সেই অভিযানের প্রথম বর্ষপূর্তিতে (1st Anniversary) সন্ত্রাসবাদ নির্মূল করার সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)।
বৃহস্পতিবার এক্স হ্যান্ডেলে বীর শহিদ ও সশস্ত্র বাহিনীকে কুর্নিশ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘অপারেশন সিঁদুর ভারতীয় সেনাবাহিনীর অতুলনীয় সাহস, নিখুঁত লক্ষ্য এবং দৃঢ় সংকল্পের প্রতীক। যারা পহেলগাঁওয়ে নিরপরাধ ভারতীয়দের আক্রমণ করার সাহস দেখিয়েছিল তাদের উপযুক্ত জবাব দেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও লেখেন, ‘সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারত কখনও আপস করবে না। আর এই প্রতিশ্রুতিই প্রতিফলিত করেছে অপারেশন সিঁদুর।’ এদিন বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী ও এনডিএ শিবিরের শীর্ষ নেতারা নিজেদের প্রোফাইল ছবি বদলে অপারেশন সিঁদুরের লোগো ব্যবহার করেছেন।
A yr in the past, our armed forces displayed unparalleled braveness, precision and resolve throughout #OperationSindoor. They gave a becoming response to those that dared to assault harmless Indians at Pahalgam. The whole nation salutes our forces for his or her valour.
Operation Sindoor mirrored…
— Narendra Modi (@narendramodi) May 7, 2026
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় প্রাণ হারান ২৬ জন ভারতীয় নাগরিক। এর জবাবে ৭ মে পাকিস্তান ও পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে (PoK) জইশ-ই-মহম্মদ এবং লস্কর-ই-তৈবার মোট নয়টি জঙ্গিঘাঁটিতে নিখুঁত এয়ার স্ট্রাইক ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ভারত। অভিযানে অন্তত ১০০ জন জঙ্গির মৃত্যু হয়েছিল। ১০ মে সামরিক স্তরের আলোচনার পর পরিস্থিতির অবসান ঘটে। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বার্তায় স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, ভারত এখন আর পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্রের হুমকিতে ভয় পায় না। এই অভিযান ভারতের ক্রমবর্ধমান সামরিক পেশাদারিত্ব ও সমন্বয়ের প্রমাণ। বিশেষত, দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ব্যবহারের সুফল এই অভিযানে লক্ষ্য করা গিয়েছে। আর এই অভিযানের পর থেকেই ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী ড্রোন প্রযুক্তি, অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) চালিত যুদ্ধকৌশলে বিশেষ জোর দিয়েছে।
