Omar Abdullah | জম্মু-কাশ্মীরে ন্যাশনাল কনফারেন্সে অভ্যন্তরীণ কোন্দল, ওমরের মন্ত্রিসভা নিয়ে অস্বস্তিতে দল

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) রাজনীতিতে বড় ধরনের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের আভাস মিলছে। সম্প্রতি মন্ত্রিসভায় রদবদলকে কেন্দ্র করে মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লার (Omar Abdullah) নেতৃত্বাধীন সরকারের অন্দরে তীব্র অসন্তোষ দানা বেঁধেছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, ন্যাশনাল কনফারেন্সের (Nationwide Convention) প্রায় ২৪ জন বিধায়ক বর্তমান প্রশাসনের কার্যপদ্ধতি ও নেতৃত্বের মনোভাবের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। শ্রীনগরে দলের এক বিধায়কের বাসভবনে আয়োজিত গোপনীয় বৈঠকে এই অভ্যন্তরীণ ক্ষোভ প্রকাশ্যে আসে, যেখানে বেশ কয়েকজন বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন এবং অনেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অংশ নেন।

বিদ্রোহী এই বিধায়কদের মূল ক্ষোভ মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা নাসির আসলাম ওয়ানির ক্ষমতার অতিরিক্ত প্রভাব এবং প্রশাসনিক একচ্ছত্র আধিপত্যের বিরুদ্ধে। তাঁদের অভিযোগ, দল এবং সরকারের অন্দরে নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে স্বেচ্ছাচারিতা চলছে, যা শীর্ষ নেতৃত্ব পুরোপুরি এড়িয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি, সদ্য গঠিত মন্ত্রিসভায় আঞ্চলিক ও ধর্মীয় ভারসাম্যের মারাত্মক অভাব রয়েছে বলে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন তাঁরা। ১৯৫৩ সালের পর থেকে এই প্রথম জম্মু অঞ্চলের ১০টি জেলার মধ্যে ৮টি জেলা থেকেই মন্ত্রিসভায় কোনও প্রতিনিধিত্ব রাখা হয়নি। শ্রীনগর উপত্যকা থেকে একাধিক মন্ত্রী স্থান পেলেও মূল জম্মু ভূখণ্ডকে সম্পূর্ণভাবে কোণঠাসা করে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ। এমনকি বর্তমান মন্ত্রিসভায় একমাত্র হিন্দু প্রতিনিধি সুরেন্দ্র চৌধুরীর ভূমিকা ও অন্তর্ভুক্তি নিয়ে দলের অন্দরে তীব্র অসন্তোষ রয়েছে।

২০২৪ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ৯০ আসনের জম্মু ও কাশ্মীর বিধানসভায় ন্যাশনাল কনফারেন্স একাই ৪১টি আসন দখল করে দুর্দান্ত সাফল্য অর্জন করেছিল। পরবর্তীতে কংগ্রেসের বাইরে থেকে সমর্থন এবং কয়েকটি ছোট দলের সহযোগিতায় সরকার গঠিত হয়। তবে ২৪ জন বিধায়ক যদি শেষ পর্যন্ত দলের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নেন বা কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন, তবে সংখ্যাতত্ত্বের সমীকরণে ওমর আবদুল্লার এই জোট সরকারের স্থায়িত্ব প্রবল সঙ্কটের মুখে পড়তে পারে। প্রশাসনের অন্দরে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার দাবি তুলে প্রবীণ নেতৃত্ব তথা ফারুক আবদুল্লার হস্তক্ষেপ চেয়ে একটি প্রস্তাবও প্রস্তুত করেছেন অসন্তুষ্ট বিধায়করা। সব মিলিয়ে উপত্যকার রাজনৈতিক পারদ এখন চড়তে শুরু করেছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *