Noon Meal | মিড-ডে মিলের পাতে এবার মাছ? নিশীথের মন্তব্যে জল্পনা তুঙ্গে 

Noon Meal | মিড-ডে মিলের পাতে এবার মাছ? নিশীথের মন্তব্যে জল্পনা তুঙ্গে 

ব্লগ/BLOG
Spread the love


কোচবিহার: এবার কি রাজ্যের সরকারি স্কুলগুলিতে মিড-ডে মিলের (Noon Meal) পাতে মাছ? শুক্রবার উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik) যে কথা বলেছেন, তাতে ‘মাছের গন্ধ’ পাওয়া যাচ্ছে। তবে বিষয়টি নিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার কিছু ভাবছে কি না বা এমন প্রস্তাব তাঁর মুখ্যমন্ত্রীর টেবিলে জমা দেওয়ার কোনও পরিকল্পনা রয়েছে কি না, স্পষ্ট করেননি মাথাভাঙ্গার বিধায়ক নিশীথ। উল্লেখ্য, এরাজ্যে যখন মিড-ডে মিল নিয়ে বিতর্ক চরমে তখন তামিলনাডুতে সরকারি স্কুলে সপ্তাহে একদিন মিড-ডে মিলে চিকেন বিরিয়ানি খাওয়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন ওই রাজ্যের স্কুল শিক্ষামন্ত্রী। যদিও বিষয়টি এখনও বিবেচনাধীন। মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয়ের সিদ্ধান্তের ওপরেই নির্ভর করবে পড়ুয়াদের পাতে বিরিয়ানি পড়বে কি না।

এরাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পরই পাইলট প্রোজেক্ট হিসেবে কলকাতায় (Kolkata) স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের মিড-ডে মিলের দায়িত্ব ইসকনের হাতে তুলে দেয় রাজ্য সরকার। এরপর রাজ্যের বাকি স্কুলগুলিতেও মিড-ডে মিলের দায়িত্ব ইসকনকে দেওয়া হবে বলে রাজ্যজুড়ে আলোচনা এবং সমালোচনা শুরু হয়ে যায়। মিড-ডে মিলের পাতে ডিম না থাকলে পড়ুয়াদের পুষ্টির ঘাটতি দেখা দেবে বলে অনেকেই মত প্রকাশ করেন। সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে বাম, তৃণমূল সহ বিজেপি-বিরোধী দলগুলি। পরিস্থিতি সামাল দিতে সম্প্রতি ডিম ফিরিয়ে আনার ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে শুক্রবার মাছের প্রসঙ্গ টেনেছেন নিশীথ। উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী অত্যন্ত ভালো ঘোষণা করেছেন। বামপন্থীদের মধ্যে যাঁরা বলছিলেন, বাচ্চাদের প্রোটিন কম হয়ে যাবে, পুষ্টির অভাব হবে, এবার তাঁদের মুখ অন্তত বন্ধ হবে। তবে শুধু ডিম কেন, এরপরে মাছও দেওয়া হবে। পাশাপাশি এরপরেও যদি বাচ্চাদের আরও পুষ্টি সংযোজিত খাবারের প্রয়োজন হয়, প্রয়োজনে সেগুলিও দেওয়া হবে।’

উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রীর এমন বক্তব্য ছড়িয়ে পড়তে বেশি সময় লাগেনি। যথারীতি তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে শিক্ষা মহলে। পাতে মাছ, এমন সিদ্ধান্তকে অনেকেই আগাম স্বাগত জানানো শুরু করে দিয়েছেন। অনেকে আবার মন্ত্রীর বক্তব্যের মধ্যে চমক ছাড়া কিছু দেখতে নারাজ। তবে বাস্তবে মিড-ডে মিলে মাছের জোগান ঘটলে, তা হবে নতুন সরকারের মাস্টারস্ট্রোক। কেননা, বিধানসভা নির্বাচনের সময় মাছ নিয়ে রাজ্যে কম বিতর্ক হয়নি। বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় এলে বাঙালির ভাতের থেকে মাছ কেড়ে নেওয়া হবে বলে প্রচারে ঝড় তুলেছিল বিজেপি-বিরোধী দলগুলি। যদিও এমন অভিযোগ ভোটের বাক্সে প্রতিফলিত হয়নি। তবে মাছবিরোধী নয় প্রমাণ দিতে রাজ্যে ক্ষমতা দখল করার পর পাড়ায় পাড়ায় মাছভাত খাওয়ানোর আয়োজন করেছিল বিজেপি।পড়ুয়াদের মিড-ডে মিলের পাত থেকে মাছের গন্ধ পাওয়া যায় কি না, এখন সেটাই দেখার।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *