রবিবার দুপুরে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে দিল্লির সত্য নিকেতনের (Satya Niketan PG Collapse) একটি ছ’তলা বাড়ি। মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় বিজেপি সরকারের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন রাহুল গান্ধী। এদিন কংগ্রেস নেতা বলেন, যারাই প্রশ্ন তুলছেন তাঁদেরকে ‘দিমাগি নক্সাল’, ‘নারাজ ফুফা’ লেবেল দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
লোকসভার বিরোধী দলনেতা প্রশ্ন তোলেন, দিল্লিতে ‘ট্রিপল-ইঞ্জিন’ সরকার থাকা সত্ত্বেও অসহায় অবস্থার কারণ কী? তিনি মন্তব্য করেন, এর মূলে রয়েছে সদিচ্ছার অভাব। হিন্দিতে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন রাহুল। সেখানে তিনি বলেন, এদের আসলে ‘কোনও দায়বদ্ধতা নেই’। পোস্টে TINA হ্যাসট্যাগ ব্যবহার করেছেন তিনি। উল্লেখ্য মোদির সমর্থকরা এই হ্যাসট্যাগ (There Is No Different বা TINA) ব্যবহার করেন। অর্থাৎ কিনা মোদিই ভারতের একমাত্র যোগ্য এবং অপরিহার্য নেতা।
আরও পড়ুন:
নিজের পোস্টে রাহুল অভিযোগ করেন, বিজেপি সরকার প্রতিবারই একই লজ্জাজনক কাজ করে চলে। দুর্ঘটনার আগে কোনও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয় না, ঘটনার পর কেবল লোক দেখানো তৎপরতা দেখানো হয়। সব দায় নিচু তলার কয়েকজন কর্মকর্তার ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়। অথচ প্রকৃত দোষীরা জবাবদিহিতার আওতার বাইরেই থেকে যায়। তিনি বলেন, “সত্য নিকেতনে শিক্ষার্থীদের ভিড়ে ঠাসা ভবন ধসে পড়ার ঘটনা কোনও বিচ্ছিন্ন ট্র্যাজেডি নয়। গত চার মাসে সাইদুলাজাবে অনুরূপ দুর্ঘটনায় ৬ জন প্রাণ হারান। হাউজ রানিতে অগ্নিকাণ্ডে ২২ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
আরও পড়ুন:
সংসদের বিরোধী দলনেতা লিখেছেন, “প্রতিবারই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে মানুষের জীবন, স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা। প্রতিবারই কোনও কার্যকর পদক্ষেপের দেখা মেলে না। আর যখনই আপনি জবাবদিহি চান, তখনই খোদ প্রধানমন্ত্রীই আপনাকে ‘দিমাগি নকশাল’ বা ‘নারাজ ফুফা’-র মতো অপমানজনক তকমা দিয়ে বসেন। উদ্দেশ্য হল, প্রশ্ন তোলার সাহস দেখানো ব্যক্তিকে হেয় প্রতিপন্ন করা এবং তাঁদের কণ্ঠস্বর স্তব্ধ করা।”
এখানেই না থেমে রাহুল দাবি করেন, গত ১২ বছর ধরে এই সরকার সারা বিশ্ব নিয়ে বড় বড় কথা বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করেছে। কিন্তু কখনওই প্রকৃত সমস্যাগুলির সমাধান করেনি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, দিল্লিতে তো ‘ট্রিপল-ইঞ্জিন’ সরকার রয়েছে, তাহলে এমন অবস্থা হবে কেন?
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
