NBSTC | এনবিএসটিসি-তে নিয়োগের আশ্বাস, টোটোয় কিউআর কোড, জানালেন মন্ত্রী

NBSTC | এনবিএসটিসি-তে নিয়োগের আশ্বাস, টোটোয় কিউআর কোড, জানালেন মন্ত্রী

শিক্ষা
Spread the love


শমিদীপ দত্ত ও খোকন সাহা, শিলিগুড়ি ও বাগডোগরা: উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগমে (NBSTC) কর্মীসংকট তাহলে মিটতে চলেছে! শুক্রবার পরিবহণমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তীর আশ্বাসের পর এমনটাই মনে করছেন নিগমের আধিকারিকরা।

তেনজিং নোরগে বাস টার্মিনাসে নিগমের উদ্যোগে বিভিন্ন বিভাগে ডিভিশনের সেরা দশজনকে পুরস্কৃত করা হয়। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী। সেখানেই নিজের বক্তব্যে কর্মীসংকটের বিষয়টি কার্ষত স্বীকার করে নেন মন্ত্রী। এরপরেই তিনি জানান, কর্মীসংকটের বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁর কথায়, ‘বিভিন্ন ধরনের প্রতিকূলতার মধ্যেই উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগম প্রতিদিন এক লক্ষ বাহান্ন হাজার কিলোমিটার বাস পরিষেবা দিচ্ছে। প্রতিদিন এক লক্ষ কুড়ি হাজার যাত্রীকে পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে। স্থায়ী-অস্থায়ী মিলিয়ে মাত্র ২৮০০ কর্মী দিয়ে এই পরিষেবা চলছে। কর্মীসংকটের সমস্যা সমাধানে আমরা বিভিন্ন বিভাগে জুনিয়ার-সিনিয়ার সহ ৮৭ জনকে নিয়োগ করতে চলেছি। এছাড়াও অস্থায়ী ৫০ জন চালক ও ৫০ জন কনডাক্টরকে নিয়োগ করা হবে।’

উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগমে ক্রমেই কর্মীসংকট বাড়ছে। অফিসার পদ কার্যত শূন্য হয়ে রয়েছে। শিলিগুড়ি ডিভিশনাল ম্যানেজার পদ পূরণ করতে গিয়ে হিমসিম খেতে হয়েছে নিগমকে। নিগমের প্রতিটি ডিভিশনাল ম্যানেজার পদে থাকা কর্তারা অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে সেই পদের দায়িত্ব পালন করছেন। বিষয়টি নিয়ে নিগমের চেয়ারম্যান পার্থপ্রতিম রায়ের বক্তব্য, ‘প্রতিমাসে ১৫ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করছি। রাজ্য সরকারের তরফে চার কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। যা নিগমের উন্নয়নমূলক কাজে লেগেছে।’

এই অনুষ্ঠানের পাশাপাশি এদিন পালপাড়ায় রাজ্য পরিবহণ দপ্তরের আয়োজিত পথ নিরাপত্তা কর্মসূচিতেও অংশগ্রহণ করেন মন্ত্রী। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সব টোটোতে কিউআর কোড লাগানোর বিষয়টি তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘বৃহস্পতিবার ক্যাবিনেটের বৈঠক হয়েছে। লোকাল যেসব টোটো রয়েছে সেগুলিতে কিউআর কোড সংবলিত স্টিকার লাগানো হবে। কতগুলি টোটো চলছে তা চিহ্নিত করার জন্যই এই উদ্যোগ।’ শিলিগুড়ি, বর্ধমান, হাওড়া, আসানসোল সহ সব বড় শহরে টোটো সংগঠন, ট্রাফিক পুলিশ, প্রশাসনকে নিয়ে বৈঠক করে কোন কোন রাস্তা, পকেট রুট দিয়ে টোটো চলাচল করবে সেসব বিষয়ে আলোচনা করা হবে। টোটো চালিয়ে যাঁরা জীবিকানির্বাহ করছেন তাঁদের যাতে কোনও সমস্যা না হয় তার জন্যই এই উদ্যোগ বলে মন্ত্রী জানান।

পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যুহার নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘যানবাহনের গতি বাড়ায় দেশে প্রতিমাসে পথ দুর্ঘটনায় ৫০০ মানুষের মৃত্যু হয়। পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হারে রাজ্য ১১তম স্থানে। এতে আমরা খুশি নই। একটি মৃত্যুও কাম্য নয়। এজন্য গতির লাগাম টানা হবে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *