দেবীপক্ষের সূচনায় তুষার চাদরে মুখ ঢাকল ভারত-তিব্বত সীমান্তের নাথু-লা পাস। শুরু হয়েছিল শুক্রবার। শনিবার প্রকৃতি যেন দু’হাত খুলে উজার করে দিয়েছে। পূর্ব সিকিমের ১৪ হাজার ২০০ ফুট উঁচু ওই এলাকায় দফায় দফায় ভারী তুষারপাত চলে। গোটা সীমান্ত এক মায়াবী শীতকালীন রূপকথার দেশে পরিণত হতে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন পর্যটকরা। হিমাঙ্কের নিচে তাপমাত্রা উপেক্ষা করে চলে জমাট তুষার গোল্লা পাকিয়ে খুনসুটি। শুধু সিকিমের নাথু-লা-পাস নয়, দার্জিলিংয়ের সান্দাকফুতেও হালকা তুষারপাত শুরু হয়েছে এদিন।
হেল্প ট্যুরিজমের কর্ণধার রাজ বসু বলেন, “নাথু-লা পাসে মরশুমের প্রথম ভারী তুষারপাত পর্যটন শিল্পের ভালো দিক। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী এবার পুজোয় পূর্ব সিকিমে তুষারপাত মিলবে। সেজন্য আশা করছি ভিড় বাড়বে।”
আরও পড়ুন:
পর্যটন সংস্থাগুলো সূত্রে জানা গিয়েছে, নাথু-লা পাসে মরশুমের প্রথম ভারী তুষারপাত হয়েছে এদিন। পাহাড়, রাস্তা সবই শ্বেতশুভ্র বরফের চাদরে তলিয়েছে। রাস্তা পিছল হয়েছে। দেখা দিয়েছে বিপজ্জনক ‘ব্ল্যাক আইস’। বাতাসে কমেছে অক্সিজেনের মাত্রা। তার উপর দ্রুত আবহাওয়া পরিবর্তন ঘটছে। এই বৃষ্টি, তুষারপাত। আবার এই রোদ। ওই কারণে সিকিম প্রশাসনের তরফে সরকারি ভ্রমণ নির্দেশিকা মেনে চলা এবং রাস্তার পরিস্থিতি জেনে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পুজোর ছুটি এখনও শুরু হয়নি। তার আগেই বিশাল পাহাড় সাদা বরফের চাদরে ঢাকা পড়তে দেখে খুশি পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীরা জানান, সমাজমাধ্যমে ছবি দেখে অনবরত বুকিং চেয়ে ফোন আসছে। ইতিমধ্যে অনেকেই ছুটি নিয়ে পৌঁছেও গিয়েছেন। তবে পুজোয় ভিড় অনেকটাই বাড়বে। তুষারপাতের জেরে পাহাড়ে শীতের মরশুম কার্যত শুরু হয়ে গেল বলাই যেতে পারে। ইতিমধ্যে নাথু-লা সহ সিকিমের উঁচু এলাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা মাইনাস ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে। আবহাওয়া দপ্তর ১৩ অক্টোবর থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত ফের পূর্ব সিকিমে তুষারপাতের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে। স্বভাবতই এবার পুজোয় তুষারপাতের নৈসর্গিক সৌন্দর্য উপভোগের সুযোগ পাচ্ছেন পর্যটকরা এটা বলাই চলে। হেল্প ট্যুরিজমের কর্ণধার রাজ বসু বলেন, “নাথু-লা পাসে মরশুমের প্রথম ভারী তুষারপাত পর্যটন শিল্পের ভালো দিক। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী এবার পুজোয় পূর্ব সিকিমে তুষারপাত মিলবে। সেজন্য আশা করছি ভিড় বাড়বে।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
