উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: রবিবার গভীর রাতে নরেন্দ্রপুর থানার নাজিরাবাদ (Nazirabad Warehouse Hearth) এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে (Narendrapur Hearth) ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। একটি থার্মোকলের গোডাউন থেকে আগুনের সূত্রপাত হলেও দ্রুত তা পাশের একটি অনলাইন বিপণন সংস্থার গোডাউনে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের ১০টি ইঞ্জিন। দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টার যুদ্ধের পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রাত আড়াইটে নাগাদ হঠাৎই নাজিরাবাদ এলাকার ওই থার্মোকল গোডাউন (Thermocol Godown Hearth) থেকে ধোঁয়া বেরোতে দেখা যায়। থার্মোকল অত্যন্ত দাহ্য বস্তু হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে আগুন বিধ্বংসী রূপ নেয়। আগুনের লেলিহান শিখা গ্রাস করে পাশের অনলাইন স্টোরের গোডাউনটিকেও। ওই গোডাউনে বিপুল পরিমাণ কোল্ড ড্রিঙ্কস এবং অন্যান্য দাহ্য সামগ্রী মজুত থাকায় বিস্ফোরণের মতো শব্দ শোনা যায় বলে দাবি বাসিন্দাদের। ঘটনার গুরুত্ব বুঝে একে একে দমকলের ১০টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করে।
দমকল কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও এলাকা ছিল ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের দাবি, আগুনের সময় গোডাউনের ভেতরে কয়েকজন কর্মী আটকে থাকতে পারেন। যদিও দমকলের পক্ষ থেকে এখনও কোনও হতাহতের খবর নিশ্চিত করা হয়নি। ভেতরে কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখতে তল্লাশি চালাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা। বর্তমানে কোথাও কোনও ‘পকেট ফায়ার’ লুকিয়ে আছে কি না, তা খুঁজে বের করার প্রক্রিয়া চলছে।
কীভাবে এই বিধ্বংসী আগুনের সূত্রপাত হলো, তা নিয়ে ধন্দ তৈরি হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, গোডাউনের ভেতরেই রান্নার ব্যবস্থা ছিল। রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার থেকেই কোনওভাবে বিপত্তি ঘটেছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি শর্ট সার্কিটের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছে না দমকল বাহিনী। গোডাউনটিতে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল কি না, তাও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।
