Drone Assault | শান্তি আলোচনায় জল! হরমুজে গোলাবর্ষণ মার্কিন বাহিনীর, ধ্বংস ইরানের ড্রোন

Drone Assault | শান্তি আলোচনায় জল! হরমুজে গোলাবর্ষণ মার্কিন বাহিনীর, ধ্বংস ইরানের ড্রোন

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: হরমুজ প্রণালীর উত্তপ্ত জলসীমায় ফের সংঘাতের আগুন। ইরানের ড্রোন (Drone Assault) লক্ষ্য করে মার্কিন বাহিনীর পর পর গোলাবর্ষণের ঘটনায় নতুন করে রণক্ষেত্র হয়ে উঠেছে পশ্চিম এশিয়া। শুধু ড্রোন ধ্বংস করাই নয়, ইরানের উপকূলবর্তী গুরুত্বপূর্ণ রেডার সাইটগুলিকেও নিশানা করেছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM)। এই আকস্মিক সামরিক পদক্ষেপে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তির আশায় বড়সড়ো ধাক্কা লেগেছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যৌথ বাহিনীর সঙ্গে ইরানের সংঘাত চরমে পৌঁছায়। যদিও কূটনৈতিক স্তরে শান্তি আলোচনার প্রক্রিয়া চলছিল, কিন্তু সেই আলোচনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ফের সামরিক আগ্রাসন শুরু হলো। মার্কিন সেনার দাবি, হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা ও নজরদারি নিশ্চিত করতেই তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছে। আমেরিকার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরান প্রেরিত চারটি ড্রোন তারা মাঝ আকাশেই গুলি করে নামিয়েছে। এরপর কোনো পাল্টা আক্রমণ রুখতে ইরানের উপকূলবর্তী দ্বীপ এবং রাডার কেন্দ্রগুলিতে নির্ভুল নিশানায় গোলাবর্ষণ করা হয়েছে।

হরমুজ প্রণালী বিশ্বের জ্বালানি বাণিজ্যের অন্যতম লাইফলাইন। সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই এই জলপথে তেহরান নিজের নিয়ন্ত্রণ কায়েম করতে মরিয়া। ইরানগামী বা ইরান থেকে আসা পণ্যবাহী জাহাজগুলিকে নিয়মিত বাধা দেওয়ার ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। এর পাল্টা হিসেবে আমেরিকাও শুরু করেছে নৌ-অবরোধ। উভয় পক্ষের এই ‘টক্কর’ বিশ্ববাজারে তেলের দাম ও সরবরাহ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। ইরানের পক্ষ থেকে এই সাম্প্রতিক হামলার বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) পরিস্থিতির গুরুত্ব লঘু করার চেষ্টা করে জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে সমঝোতা প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি বলছে অন্য কথা। দুই দেশের শর্তাবলি নিয়ে মতপার্থক্য মেটেনি। কূটনৈতিক স্তরে আলোচনার প্রতিশ্রুতি থাকলেও, মাঠ পর্যায়ের এই গোলাবর্ষণ সেই শান্তি আলোচনাকে কতদূর এগিয়ে নিয়ে যাবে, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, এই সামরিক উত্তজনা যদি প্রশমিত না হয়, তবে পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি স্থাপনের চেষ্টা ভেস্তে যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। এই মুহূর্তের সংঘাত কি বৃহত্তর যুদ্ধের সূচনা? নাকি সমঝোতার আগে শেষ শক্তির লড়াই? প্রশ্ন উঠছে বিশ্বজুড়ে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *