উত্তরবঙ্গ সংবাদ অনলাইন ডেস্কঃ শুক্রবার সকালে ১০, লোককল্যাণ মার্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনে এক বিশেষ প্রাতরাশ বৈঠকে যোগ দিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার সহ এনসিপিআই (Narendra Modi Breakfast Assembly NCPI MPs) সাংসদরা। এদিনের এই বৈঠকে মুর্শিদাবাদের ৩ জন সাংসদ সহ তৃণমূল কংগ্রেস ও শিবসেনা (ইউবিটি) শিবির ছেড়ে এনডিএ জোটে যুক্ত হওয়া একাধিক হেভিওয়েট সাংসদের উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ও জল্পনার সৃষ্টি করেছে।
প্রধানমন্ত্রী মোদির আমন্ত্রণে আয়োজিত এই প্রাতরাশ বৈঠকে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও কাকলি ঘোষ দস্তিদারের পাশাপাশি শতাব্দী রায় এবং বহরমপুরের সাংসদ তথা প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠানকেও উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে। সম্প্রতি এনডিএ-র একটি বৈঠকে ইউসুফ পাঠানের অনুপস্থিতি ঘিরে নানা জল্পনা ছড়ালেও, এদিনের বৈঠকে তাঁর যোগদান সমস্ত গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে ইউসুফ পাঠান স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, ‘‘হ্যাঁ, আমি যাব। দেশের স্বার্থে যা ভালো, আমরা সেটাই করব। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করাটা একজন জনপ্রতিনিধির কর্তব্য ও সৌজন্য।’’ রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউসুফ পাঠানের এই ইতিবাচক মন্তব্য এবং সুদীপ-কাকলিদের মতো অভিজ্ঞ সাংসদদের এই বৈঠকে উপস্থিতি কেন্দ্রের শাসক শিবিরের সঙ্গে সুসম্পর্ক ও রাজনৈতিক সমন্বয়ের বার্তাকেই আরও জোরালো করছে।
এর আগে গত ৫ অগাস্ট বিজেপির ৩৭ জন নবনির্বাচিত রাজ্যসভা সাংসদের সঙ্গেও নিজ বাসভবনে প্রাতরাশ বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত সেই বৈঠকে তিনি নতুন সাংসদদের ভবিষ্যৎ সংসদীয় কাজের দিকনির্দেশ করেন। সূত্রের খবর, সেই বৈঠকে নতুন সাংসদদের সতর্ক করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘দিল্লির মায়াজালে জড়িয়ে পড়বেন না। নিজেদের শুধুমাত্র দিল্লির সীমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা মস্ত বড় ভুল।’’ নিজের এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখে কাজ করার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছিলেন তিনি।

