Nagrakata | বিধানসভা ভোটের আগে সংগঠনে গোর্খা মুখ এনে নতুন কৌশল নিল তৃণমূল কংগ্রেস

Nagrakata | বিধানসভা ভোটের আগে সংগঠনে গোর্খা মুখ এনে নতুন কৌশল নিল তৃণমূল কংগ্রেস

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


নাগরাকাটা: লক্ষ্য বিধানসভা নির্বাচন। নাগরাকাটায়(Nagrakata) দলের ৫টি অঞ্চল কমিটির মধ্যে ৩ টিরই সভাপতি পদে গোর্খা মুখ এনে নতুন কৌশল নিল তৃণমূল কংগ্রেস। চম্পাগুড়ি পঞ্চায়েত এলাকার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পেশায় শিক্ষক অশোক বিশ্বকর্মাকে। চেয়ারম্যান করা হয়েছে বর্তমান গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান রমেশ তির্কিকে। লুকসানে ওই পদে পুনবর্হাল হয়েছেন সঞ্জীব সুব্বা। চেয়ারম্যানের দায়িত্বে আনা হয়েছে বিনোদ কুজুরকে। আংরাভাসা এক নম্বর অঞ্চল কমিটিতে ফের ফিরিয়ে আনা হয়েছে পোড়খাওয়া নেতা রাজেন ফুয়েলকে। সেখানে চেয়ারম্যান হয়েছেন পুরনো সভাপতি পৃথ্বীরাজ ছেত্রী। শুধু তাই নয়, সুলকাপাড়া অঞ্চল কমিটিতে সভাপতি পদে লতিফুল ইসলামকে রেখে দেওয়ার পাশাপাশি চেয়ারম্যান পদে নিয়ে আসা হয়েছে আরেক গোর্খা নেতা দীপেন শর্মাকে। আংরাভাসা দুই নম্বর অঞ্চল কমিটির সভাপতি হিসেবে বেঁছে নেওয়া হয়েছে প্রাক্তন গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান দয়াল রায়কে। চেয়ারম্যান হয়েছেন মনসুর আলি। ঘাসফুল শিবিরের বর্তমান ব্লক সভাপতি প্রেম ছেত্রীও নিজে গোর্খা সম্প্রদায়ের। তিনি বলেন, এর মধ্যে কোনও কৌশল নেই। দল যাকে ভাল মনে করেছে তাঁকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অঞ্চল কিংবা ব্লক কমিটিগুলির অন্যান্য পদে সমস্ত সম্প্রদায়েরই প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। আমাদের মূল লক্ষ্য একটাই। আগামী নির্বাচনে বিজেপিকে শূন্য করা।
ডুয়ার্সের চা বলয়ের অন্যতম কোর এলাকা হিসেবে পরিচিত নাগরাকাটায়(Nagrakata) ভোটে জয় পরাজয়ের ডিসাইডিং ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করে আদিবাসী ও গোর্খা সম্প্রদায়ের ভোটাররা। তফশিলি উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত এই আসনটি বর্তমানে বিজেপির দখলে। রাজনৈতিক মহলে একটি চালু কথা হল গোর্খা সম্প্রদায়রা যাকে মনে করেন তাঁকেই এককাট্টা হয়ে ভোট দেন। তৃণমূল ওই ব্লক ভোটকে নিজেদের ঝুলিতে টানতে চাইছে। সেকারণে গোর্খা নেতাদের সামনের সারিতে নিয়ে আসা হল বলে অনেকের ধারণা।
নতুন অঞ্চল সভাপতি বেছে নেওয়ার কাজ শেষ হওয়ার পর সোমবার চম্পাগুড়ির নয়া সভাপতি অশোক বিশ্বকর্মাকে বিপুল সংবর্ধনায় ভরিয়ে দেন সেখানকার নেতা কর্মীরা। উচ্ছ্বাসে পোড়ানো হয় আতশ বাজিও। উপস্থিত ছিলেন যুব তৃণমূল কংগ্রেসের জলপাইগুড়ি জেলা কমিটির নেতা গোবিন লামা, তৃণমূল চা বাগান শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম নেতা বৈজুনাথ নায়েক সহ আরও অনেকে। অশোক বিশ্বকর্মা বলেন “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন ও নানা সরকারী প্রকল্পকে হাতিয়ার করে মানুষের কাছে যাব। এবার আমাদের জয় আটকানোর ক্ষমতা কারোর নেই।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *