Nagrakata | ‘দিল্লি একটা টাকাও দেয় না…’, নাগরাকাটা পরিদর্শনে গিয়ে কেন্দ্রকে বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী

Nagrakata | ‘দিল্লি একটা টাকাও দেয় না…’, নাগরাকাটা পরিদর্শনে গিয়ে কেন্দ্রকে বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


নাগরাকাটা: বন্যা বিধ্বস্ত নাগরাকাটার বামনডাঙ্গা-টন্ডু চা বাগান পরিদর্শন করে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার দুপুরে প্রথমে তিনি যান, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত বামনডাঙ্গার মডেল ভিলেজে। সেখানে ৯ জন মৃতের পরিবারের থেকে একজন করে সদস্যের হাতে স্পেশাল হোমগার্ড-এর চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেন তিনি। পাশাপাশি্ তিনি নিয়োগপত্র তুলে দেন, মাথাভাঙার আরও ২ জন মৃতের পরিবারের এক জন করে সদস্যের হাতে। সেদিনের ঘটনার কথা তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন, ভুটানের জলের কারণেই এই বিপর্যয়। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে ইন্দো-ভুটান নদী কমিশন গঠনের কথা জানিয়ে আসছি। অবশেষে আমাদের চাপে আগামী ১৬ তারিখ বৈঠক ডেকেছে বলে যতদূর জানি। রাজ্যের একজন আধিকারিককে সেখানে পাঠানো হবে।’

মুখ্যমন্ত্রীর আরও বলেন, ‘সবটাই আমাদের করতে হয়। না দিল্লি একটা টাকাও দেয়, না অন্য কেউ।’ ডলোমাইটের সমস্যার কথাও এদিন তুলে ধরেন তিনি। জেলা শাসককে এব্যাপারে মুখ্য সচিব এর সঙ্গে কথা বলার নির্দেশ দেন তিনি। তাঁর পরামর্শ, ডলোমাইট তুলে নিয়ে তারপর সেটাকে কাজে লাগানো হোক।

উল্লেখ্য, বামনডাঙ্গা-টন্ডু চা বাগানে ঢোকার রাস্তা একটাই। গাঠিয়া নদীর ওপর টানাটানি সেতুর অ্যাপ্রোচ রোডের একাংশ ধ্বসে যাওয়ার পর থেকে ওই সেতু দিয়ে চলাচল বন্ধ ছিল। বিকল্প উপায় হিসেবে বোটে করে নদী পেরিয়ে বাগানে ঢুকতে হত। ধ্বসে যাওয়া অ্যাপ্রোচ রোড পুনর্গঠনের কাজ এখনও পুরোপুরি শেষ হয় নি। তবে পায়ে হেঁটে সেতু পারাপারের উপযোগী করে তোলা হয়েছে। সেজন্য লোহার একটি ছোট সিড়ি তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী নিজেও ওই সিড়ি দিয়েই অ্যাপ্রোচ রোড পেরিয়ে বাগানে ঢোকেন। প্রথমে তিনি চলে যান মডেল ভিলেজে। সেখানে দূর্গতদের সঙ্গে দেখা করেন।

অস্থায়ী তাবুতে আশ্রয় নেওয়া গৃহহীন বা প্লাবণে ক্ষতিগ্রস্তদের ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের মাধ্যমে বাড়ি তৈরি করে দেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়ে যান মুখ্যমন্ত্রী। এদিন দূর্গতদের ত্রাণও দেওয়া হয়। মডেল ভিলেজ-এর কর্মসূচি শেষ করে এরপর তিনি চলে যান ৬ কিলোমিটার দূরের টন্ডুতে। সেখানেও অস্থায়ী ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নেওয়া মানুষদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। সেই সময় খেরকাটার এক মহিলা তাঁকে গ্রামে হাইস্কুল না থাকা সমস্যার কথা বলেন। এরপর মুখ্যমন্ত্রী ওই গ্রামে একটি হাই স্কুল করে দেওয়ারও প্রতিশ্রুতি দিয়ে যান। তাঁর সঙ্গী মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে বর্তমানে সেখানে থাকা প্রাথমিক স্কুলটির নাম লিখে রাখার নির্দেশ দেন তিনি।

এদিন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন মন্ত্রী বুলু চিকবরাইক, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি নারায়ণ স্বরূপ নিগম, জলপাইগুড়ির জেলা শাষক সামা পারভিন, পুলিশ সুপার খান্ডবাহালে উমেশ গণপত, জেলা পরিষদের সভাধিপতি কৃষ্ণা রায় বর্মন, জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ মহুয়া গোপ, মালবাজারের এসডিও শুভম কুন্ডল সহ আরও অনেকে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *