Mukul Roy | অবসান এক বর্ণময় রাজনৈতিক অধ্যায়ের, প্রয়াত ‘বঙ্গ রাজনীতির চাণক্য’ মুকুল রায়

Mukul Roy | অবসান এক বর্ণময় রাজনৈতিক অধ্যায়ের, প্রয়াত ‘বঙ্গ রাজনীতির চাণক্য’ মুকুল রায়

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: নিভল বঙ্গ রাজনীতির অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র। প্রয়াত হলেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মুকুল রায় (Mukul Roy)। রবিবার গভীর রাতে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি (Mukul Roy Dying Information)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই কিডনির সমস্যা সহ একাধিক বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন তিনি। রবিবার রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর চিকিৎসকদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে চিরনিদ্রার দেশে চলে গেলেন এক সময়ের ‘বঙ্গ রাজনীতির চাণক্য’।

হাসপাতাল ও শেষ মুহূর্ত

পরিবার ও হাসপাতাল সূত্রে খবর, দীর্ঘদিন ধরেই শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল ছিল না মুকুল রায়ের। নিউটাউনের ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালীন রবিবার গভীর রাতে তাঁর শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি ঘটে। তাঁর প্রয়াণের খবর ছড়িয়ে পড়তেই রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে আসে। প্রিয় নেতার মৃত্যুর খবর পেয়ে রাতেই হাসপাতালের সামনে এবং তাঁর বাসভবনে ভিড় জমাতে শুরু করেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-কর্মী ও অনুগামীরা।

রাজনৈতিক উত্থান ও সাফল্য

কংগ্রেসের হাত ধরে রাজনৈতিক জীবন শুরু করলেও, মুকুল রায় ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (CM Mamata Banerjee) দীর্ঘ লড়াইয়ের অন্যতম কাণ্ডারি হিসেবে তাঁকে চেনে বাংলার মানুষ। জাতীয় রাজনীতিতেও তাঁর পদচারণা ছিল অত্যন্ত দাপুটে। তিনি যেমন রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, তেমনই কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী এবং পরবর্তীকালে অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে রেলমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছেন। বিশেষ করে দলের সাংগঠনিক কাজে তাঁর তীক্ষ্ণ বুদ্ধি ও রণকৌশলের জন্য তাঁকে ‘চাণক্য’ (Chanakya of Bengal Politics) উপাধি দেওয়া হয়েছিল।

বর্ণময় শেষ ইনিংস

রাজনৈতিক জীবনের শেষ ভাগে এসে তিনি বিজেপিতে (BJP) যোগ দেন এবং ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে জয়লাভ করে বিধায়ক নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ফের তিনি পুরোনো দল তৃণমূলে (TMC) ফিরে আসেন। যদিও খাতায়-কলমে তিনি বিজেপির বিধায়ক হিসেবেই থেকে গিয়েছিলেন। তাঁর বিধায়ক পদ খারিজ নিয়ে জল গড়িয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। তবে অসুস্থতার কারণে গত কয়েক বছর ধরে তিনি রাজনীতির ময়দান থেকে কার্যত দূরেই ছিলেন। শেষ পর্যন্ত একজন বিধায়ক হিসেবেই তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রার যবনিকা পড়ল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *