হেমতাবাদ: মানসিক ভারসাম্যহীন ১৪ বছর বয়সী এক নাবালিকাকে একাধিকবার ধর্ষণের (Minor Rape Case) অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করল হেমতাবাদ থানার পুলিশ। এই নৃশংস ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম তাজেল মহম্মদ (৫২)। তাঁর বাড়ি হেমতাবাদের বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মালন এলাকায়।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৯ মে নাবালিকার পরিবারের পক্ষ থেকে হেমতাবাদ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, ওই নাবালিকাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে তাজেল মহম্মদ। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করে। ধৃতের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা আইনের পকসো (POCSO) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
মঙ্গলবার রায়গঞ্জ জেলা আদালতের অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট সেশন জজ কোর্টে ওই নাবালিকাকে গোপন জবানবন্দির জন্য নিয়ে আসা হয়। নাবালিকার মা অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমার মেয়ের ওপর অমানবিক অত্যাচার করা হয়েছে। আমি প্রশাসনের কাছে অভিযুক্তের কঠোরতম শাস্তি চাই।”
এদিন ধৃতকে রায়গঞ্জ জেলা আদালতের বিশেষ কোর্টে তোলা হলে বিচারক তাঁকে জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। হেমতাবাদ থানার আইসি সুজিত লামা জানিয়েছেন, “ধৃতের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে, কোনো ধরনের গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না।” ঘটনার পর থেকেই এলাকায় শোক ও ক্ষোভের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্তের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন।
