হাতে মাত্র এক উইকেট। তখনও বাকি ১৮ বল। বিপক্ষে অজি বোলিং আক্রমণ। সেখান থেকে নাটকীয় ড্র করল ভারতীয় দল। পুদুচ্চেরিতে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া এ দলের মধ্যে দ্বিতীয় টেস্টে কোনও মত হার বাঁচালেন দেবদত্ত পাড়িক্কলরা। আর শেষমেশ সিরিজ জিতল ১-০ ব্যবধানে।
প্রথম টেস্টে ভারত এ দল জিতেছিল ১৬২ রানে। দ্বিতীয় টেস্টে প্রথমে ব্যাট করে অস্ট্রেলিয়া দল তোলে ৩৫৮ রান। সেঞ্চুরি করেন স্যাম হারপার। তিনটি করে উইকেট অংশুল কাম্বোজ, সামস মুলানির। জবাবে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ১৬৭ রানের বেশি তুলতে পারেনি ভারত এ দল। সাইক রশিদ ৪২ রান করেন। অধিনায়ক দেবদত্ত পাড়িক্কল করেন ৩১।
আরও পড়ুন:
মাথায় বিরাট রানের বোঝা। টেস্ট যেন তখনই হাতছাড়া। স্যাম কনস্টাসের দল চাপ বাড়িয়ে দ্রুত ১৭৩ রান তুলে ডিক্লেয়ার করে। দ্বিতীয় ইনিংসে ভারতকে করতে হত ৩৬৫ রান। নিঃসন্দেহে কাজটা খুবই কঠিন। তার মধ্যে তৃতীয় দিনের শেষে একটা উইকেট হারায় ভারত। রান পাননি সাই সুদর্শন ও দেবদত্ত পাড়িক্কল। ভারতের হয়ে প্রথম প্রতিরোধের কাজটা শুরু করেন তুষার দেশপাণ্ডে। বোলার হলেও এদিন হাফসেঞ্চুরি করে যান। সাইক রশিদ করেন ৩৮। তা সত্ত্বেও একটা সময় ভারতের রান ছিল ৭ উইকেট হারিয়ে ১৯৯।
হার যেন প্রায় নিশ্চিত। তবে একা লড়ে যান যশ রাঠোর। কখনও মুলানি, কখনও নচিকেত ভুটের সঙ্গে জুটি বেঁধে লড়াই করেন বিদর্ভের ব্যাটার। কিন্তু ব্যক্তিগত ৮০ রানের মাথায় যশ যখন আউট হন, তখনও অনেকটা পিছিয়ে ছিল ভারত এ। এরপর আউট হন মুলানি। দিনের তখন মাত্র তিন ওভার। ভারতের হাতে মাত্র একটি উইকেট। বিপক্ষে ঝাই রিচার্ডসনের মতো বোলার। রানের নিরিখে অনেকটাই পিছিয়ে ছিল। কিন্তু রানের থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল সময় ও স্নায়ুর চাপ। নচিকেত ও প্রফুল্ল হিঙ্গে মাথা ঠান্ডা রেখে লড়াই চালিয়ে যান। শেষ পর্যন্ত ভারত এ দল ৯ উইকেট হারিয়ে ৩১০ রান তোলে। টেস্ট ড্র। সিরিজও ভারতের পকেটে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
